বদনজর, জিন-শয়তান ও কালোজাদুতে আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে। অসংখ্য জীবন ও পরিবার এর ভুক্তভোগী। আপনাদের সমস্যার কথা ভেবে আমরা এ বিষয়ে একটি লিফলেট তৈরি করেছি, যেখানে জিন-জাদু ও বদনজর থেকে আত্মরক্ষা পাওয়ার কুরআন-সুন্নাহভিত্তিক পরামর্শ দেয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন
রমাদান কুরআন নাযিলের মাস। এ মাসেই কুরআনের সাথে আমাদের সম্পর্ক সবচেয়ে প্রগাঢ় হয়। বিশেষত তারাবীহর সালাতের মাধ্যমে এ মাসে আমরা সবচেয়ে বেশি কুরআন শ্রবণ করি। কিন্তু দুঃখজনক বিষয় হলো, আমরা অধিকাংশ মানুষই তারাবীহতে কী পাঠ করা হয় তা উপলব্ধি করতে পারি না।তারাবীহর সালাতে কী পাঠ করা হয় তা বোঝার জন্য আমরা প্রকাশ করেছি তারাবীহর সালাতে কুরআনের বার্তা নামক বই। এই বই অধ্যয়নের মাধ্যমে একজন মুসলমান সহজেই কুরআনের সারমর্ম এবং প্রতিদিনের তারাবীহর বিষয়বস্তু সম্পর্কে সহজেই ধারণা পেতে পারেন।
আরও পড়ুন
রমযান বছরের সবচেয়ে বরকতময় মাস, ইবাদত-বন্দেগির সোনালি সুযোগ। এ মাসেই নাযিল হয়েছে মহাগ্রন্থ আল-কুরআন, শুরু হয়েছে ওহির ধারাপাত, আর রয়েছে হাজার মাসের শ্রেষ্ঠ রাত—লাইলাতুল কদর।এই মাসে রহমতের দরজা উন্মুক্ত হয়, শয়তানকে শৃঙ্খলিত করা হয়, আর মুমিনের জন্য নেক আমল সংগ্রহের সুবর্ণ সুযোগ আসে। ঠিক যেমন ব্যবসায়ীরা বিশেষ মৌসুমে লাভের ঘাটতি পূরণ করে, তেমনি রমযান হলো মুমিনের আমলের ঘাটতি পূরণের মোক্ষম সময়। তাই একে বলা হয় ইবাদতের বসন্তকাল।কিন্তু কেমন হবে এমন এক রমযান, যেখানে আমলগুলো হবে নবিজির (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) শেখানো পদ্ধতিতে? ‘মাহে রমযানের ২৭ আমল’ বইটিতে শায়খ আহমাদুল্লাহ কুরআন ও সুন্নাহসম্মত কিছু বিশেষ আমল তুলে ধরেছেন, যা আপনার রমযানকে করে তুলবে আরও অর্থবহ, বরকতময় ও সফল।
আরও পড়ুন
যিলহজের প্রথম দশক ইবাদতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মৌসুম। এই সময়ের আমল সম্বলিত এই লিফলেটটি ডাউনলোড করে কিংবা ফাউন্ডেশন থেকে প্রিন্টেড কপি বিনামূল্যে সংগ্রহ করে আমল করেতে পারেন। ছড়িয়ে দিতে পারেন অন্যদের মধ্যেও।
আরও পড়ুন
নামাজের যেমন অনেক নিয়ম-কানুন আছে, উমরাহরও আছে তেমন নিয়ম-কানুন ও মাসায়েল।আপনার উমরাহ কীভাবে আরো সুন্দর ও মাকবুল হতে পারে—এ বিষয়ে চমৎকার একটি পুস্তিকা রচনা করেছেন শায়খ আহমাদুল্লাহ। মাত্র পনেরো মিনিটে আপনি উমরাহর যাবতীয় মাসায়েল, করণীয় ও ফজিলত জেনে যেতে পারেন এই বই থেকে।
আরও পড়ুন
বিবাহ ও পারিবারিক বন্ধনের ভেতর দিয়ে গড়ে ওঠে সমাজের কাঠামো। যে সমাজের পারিবারিক বন্ধন যত দৃঢ়, সে সমাজ তত টেকসই ও সমৃদ্ধ। কারণ, পরিবারের উদ্যান থেকেই নতুন ফুলের জন্ম হয়। পরবর্তীতে সেই ফুলই পৃথিবীকে সুশোভিত করে।পৃথিবীর জন্য প্রজন্ম রেখে যাওয়া বিবাহের অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য। যতদিন বিবাহ নামক পবিত্র বন্ধন অটুট থাকবে, ততদিন পৃথিবী টিকে থাকবে। তাই দাম্পত্য সম্পর্কের যত্ন নেওয়া প্রতিটি বিবাহিত নারী-পুরুষের অপরিহার্য নৈতিক ও ধর্মীয় কর্তব্য।আমাদের না পাওয়ার অনেক বেদনা আছে, কিন্তু পারিবারিক জীবনে আমরা সুখী। তথ্য-প্রযুক্তি ও জাগতিক উন্নয়নে পশ্চিমারা আমাদের থেকে একশ বছর এগিয়ে থাকতে পারে, কিন্তু সুখী পারিবারিক জীবনে আমরা তাদের থেকে দুইশ বছর এগিয়ে আছি। এটা আমাদের গর্বের জায়গা।।তবে দুঃখের বিষয় হচ্ছে, পশ্চিমা অপসংস্কৃতির ঝড়ে আমাদের এই গৌরবের মিনার আজ ভেঙে পড়ার উপক্রম। বিশ বছর আগেও একটি তালাকের ঘটনায় গোটা এলাকা নড়ে উঠত। এখন এমন একটা দিন যায় না, যেদিন দেশের কোথাও না কোথাও তালাকের ঘটনা ঘটে না। অনিয়ন্ত্রিত তালাকের ঘায়ে পরিবার নামের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানটি আজ গভীর সংকটের মুখে। এটা সমাজের জন্য অশনিসংকেত।অপরিণামদর্শী তালাকে স্থায়ীভাবে বিচ্ছিন্ন হওয়া দাম্পত্য-সম্পর্ক পুনরায় ফিরে পেতেও আকুলতার শেষ থাকে না। ক্ষণিকের আবেগী সিদ্ধান্তে আর একটি সংসারও যেন ভেঙে না যায় এবং তালাক সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য রচনা করা হয়েছে ‘যত্মে থাকুক সংসার’ বইটি।