আজ থেকে আর হচ্ছে না সাপ্তাহিক লাইভ অনুষ্ঠান ‘শরয়ী সমাধান’। বিগত সাত বছর ধরে চলা অনুষ্ঠানটির সফল সমাপ্তির পর আমরা শুরু করতে যাচ্ছি সম্পূর্ণ নতুন ধ...
আরও পড়ুন
আজ থেকে আর হচ্ছে না সাপ্তাহিক লাইভ অনুষ্ঠান ‘শরয়ী সমাধান’। বিগত সাত বছর ধরে চলা অনুষ্ঠানটির সফল সমাপ্তির পর আমরা শুরু করতে যাচ্ছি সম্পূর্ণ নতুন ধারাবাহিক—‘প্রিয়নবীর (সা.)-এর হারিয়ে যাওয়া সুন্নাহ’। প্রিয়নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে ভালোবাসা আমাদের ঈমানের অংশ। আর তাকে ভালোবাসার দাবি তখনই পূর্ণ হবে, যখন আমরা তার সুন্নাহর অনুসরণ করব।কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয়, আমাদের সমাজ থেকে দিনকে দিন প্রিয়নবীর সুন্নাহগুলো হারিয়ে যেতে বসেছে।অথচ পার্থিব জীবনে সুস্থতা, শৃঙ্খলা, সফলতা এবং আত্মপ্রশান্তির জন্য সুন্নাহর অনুসরণের বিকল্প নেই।আবার পরকালীন মুক্তি ও প্রিয়নবী (সা.)-এর শাফায়াত লাভেরও অন্যতম মাধ্যম তার সুন্নাহর অনুসরণ।সমাজের বুকে সুন্নাহর পুনর্জাগরণের লক্ষ্যে আগামী শুক্রবার থেকে শুরু হচ্ছে নতুন ধারাবাহিক অনুষ্ঠান ‘প্রিয়নবীর হারিয়ে যাওয়া সুন্নাহ’।অনুষ্ঠানটি প্রতি শুক্রবার বাদ জুমা আমার ভেরিফাইড ফেসবুক পেজ এবং চ্যানেলে একযোগে প্রচারিত হবে, ইনশাআল্লাহ।সুন্নাহর ভালোবাসায় এই খবরটি ছড়িয়ে দিন আপনার প্রিয়জনদের কাছে। সুন্নাহ জানার, মানার এবং জীবনে ধারণ করার এই মহতি যাত্রায় দোয়া ও অংশগ্রহণের মাধ্যমে আমাদের সঙ্গে থাকুন।
আরও পড়ুন
জীবনে অন্তত একবার হলেও প্রিয়নবী (সা.)-এর একটি জীবনীগ্রন্থ পড়ুন।
আরও পড়ুন
জীবনে অন্তত একবার হলেও প্রিয়নবী (সা.)-এর একটি জীবনীগ্রন্থ পড়ুন।
আরও পড়ুন
৩১৩ পর্বের লাইভ অনুষ্ঠানের নির্বাচিত প্রশ্নোত্তর নিয়ে ‘শরয়ী সমাধান’ বইয়ের কাজ শুরু হয়েছে, আলহামদুলিল্লাহ।
আরও পড়ুন
৩১৩ পর্বের লাইভ অনুষ্ঠানের নির্বাচিত প্রশ্নোত্তর নিয়ে ‘শরয়ী সমাধান’ বইয়ের কাজ শুরু হয়েছে, আলহামদুলিল্লাহ।
আরও পড়ুন
৩১৩-তম পর্বে শেষ হচ্ছে সাত বছর আগে শুরু হওয়া সাপ্তাহিক ‘শরয়ী সমাধান’ লাইভ অনুষ্ঠান।আগামী শুক্রবারের অনুষ্ঠানের ভেতর দিয়ে এই দীর্ঘ পথচলার পরিসমাপ্তি ঘট...
আরও পড়ুন
৩১৩-তম পর্বে শেষ হচ্ছে সাত বছর আগে শুরু হওয়া সাপ্তাহিক ‘শরয়ী সমাধান’ লাইভ অনুষ্ঠান।আগামী শুক্রবারের অনুষ্ঠানের ভেতর দিয়ে এই দীর্ঘ পথচলার পরিসমাপ্তি ঘটতে চলেছে। আল্লাহর অশেষ অনুগ্রহ ছাড়া দীর্ঘ সাত বছর ধরে একটি সাপ্তাহিক অনুষ্ঠান চালু রাখা কোনোভাবেই সম্ভব ছিল না। আপনাদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণও এই দীর্ঘ পথচলায় অন্যতম প্রধান ভূমিকা রেখেছে। এ জন্য আমরা আপনাদের প্রতি কৃতজ্ঞ। ৩১৩-তম পর্বের দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে অনুষ্ঠানটির সমাপ্তি ঘোষণা করতে গিয়ে আনন্দ-বেদনার এক মিশ্র অনুভূতির মুখোমুখি হচ্ছি। সেই সাথে ফেলে আসা নানা স্মৃতিও চোখের সামনে ভেসে উঠছে।অনুষ্ঠানটি বন্ধ করার প্রধান কারণ আমার ব্যস্ততা এবং প্রশ্নের উত্তর জেনে নেয়ার বিকল্প মাধ্যম তৈরি হওয়া।আপনাদের মাসআলা জানার পথ সুগম করতে আস-সুন্নাহর ফাউন্ডেশন ইতোমধ্যে কল-সেন্টার তৈরি করেছে। যেখানে বাংলাদেশ সময় সকাল ৮টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত বিজ্ঞ মুফতিগণ ফোনকলের মাধ্যমে আপনাদের প্রশ্নের উত্তর দিয়ে থাকেন।সেই সাথে সরাসরি আমাদের অফিসে এসেও মাসআলা জানার সুযোগ রয়েছে।তবে শুক্রবার লাইভ অনুষ্ঠান বন্ধ হলেও ওই সময়টাতে আমরা ভিন্ন দাওয়ামূলক প্রোগ্রামের পরিকল্পনা করেছি। এখন থেকে প্রতি শুক্রবার (২৮ আগস্ট থেকে) রাতে নবীজি (সা.)-এর একেকটি অবহেলিত সুন্নাহ সম্পর্কে ধারাবহিক আলোচনা করব, ইনশাআল্লাহ।অবহেলিত সুন্নাহর পর ‘দারসুল কুরআন’ নামে কুরআনের তাফসির-বিষয়ক বিশেষ এক ধারাবাহিক অনুষ্ঠানের পরিকল্পনাও আমাদের রয়েছে। দীর্ঘ সাত বছর ধরে আপনারা যেভাবে লাইভ অনুষ্ঠানটিকে প্রাণবন্ত করে রেখেছিলেন, আশা করছি, পরবর্তী অনুষ্ঠানগুলোতেও দোয়া, ভালোবাসা ও অংশগ্রহণের মাধ্যমে আপনারা আমাদের পাশে থাকবেন। মহান আল্লাহ আমাদেরকে ইখলাস ও নিষ্ঠার সাথে দাওয়াতি কাজ অব্যাহত রাখার তাওফিক দান করুন। আমিন।
আরও পড়ুন
কখনো কখনো একটি ‘আলহামদুলিল্লাহ’ শত অভিযোগের চেয়েও শক্তিশালী।
আরও পড়ুন
দুনিয়াতে মোবাইলের ভার বহন করা অনেক সহজ হলেও আখেরাতে এর দায়ভার বহন করা অনেক কঠিন হতে পারে।
আরও পড়ুন
দুনিয়াতে মোবাইলের ভার বহন করা অনেক সহজ হলেও আখেরাতে এর দায়ভার বহন করা অনেক কঠিন হতে পারে।
আরও পড়ুন
কেন আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন ব্যক্তিগত সহায়তা দিতে পারে না?প্রতিদিন আমাদের কাছে অসংখ্য মানুষের আবেদন আসে। সরাসরি অফিসে, ফেসবুকে কিংবা ইমেইলে। কেউ ৫...
আরও পড়ুন
কেন আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন ব্যক্তিগত সহায়তা দিতে পারে না?প্রতিদিন আমাদের কাছে অসংখ্য মানুষের আবেদন আসে। সরাসরি অফিসে, ফেসবুকে কিংবা ইমেইলে। কেউ ৫ হাজার টাকার ঋণে দিশেহারা, কারো ঋণ আবার ৫০ কোটি টাকা। প্রতিটি আবেদনই সংবেদনশীল, আমাদেরকে ব্যথিত করে। কিন্তু বাস্তবতা হলো, প্রতিদিন যে পরিমাণ আবেদন আসে, তার মোট পরিমাণ আমাদের পুরো বছরের বাজেটের চেয়েও কয়েক গুণ বেশি।বিশাল জনগোষ্ঠীর বাংলাদেশের পুরো বছরের মোট জাতীয় বাজেট প্রায় ৯ লক্ষ কোটি টাকা। এই বিপুল পরিমাণ বাজেটের পরও মানুষের বহুমুখী সমস্যা ও স্বাস্থ্য খাতের সংকট পুরোপুরি দূর করা সম্ভব হয় না। সেখানে বছরে মাত্র ১০০ কোটি টাকা বাজেটের একটি চ্যারিটি প্রতিষ্ঠান থেকে সব ধরনের ব্যক্তিগত সমস্যার সমাধান আশা করা বাস্তবসম্মত নয়। চাহিদার মহাসমুদ্রের বিপরীতে আমাদের সামর্থ্য অত্যন্ত সীমিত।এই সীমিত বাজেট দিয়ে যদি আমরা ব্যক্তিগত ঋণ বা চিকিৎসার জন্য সরাসরি নগদ অর্থ বিতরণ শুরু করি, তবে বড় একটি নীতিগত ও প্রশাসনিক সংকট তৈরি হবে। দেখা যাবে, বিভিন্ন সুপারিশ, তদবির বা চেনাজানার বৃত্তেই পুরো তহবিল শেষ হয়ে যাচ্ছে। ফলে সেই প্রান্তিক অভাবী মানুষ, যার সুপারিশ করার কেউ নেই, সেই মানুষগুলো পুরোপুরি বঞ্চিত হবে। যা কখনো একটি আদর্শ চ্যারিটি প্রতিষ্ঠানের নীতি হতে পারে না।আমরা মনে করি, একটি প্রতিষ্ঠানের কাজ কেবল তাৎক্ষণিক টাকা বিতরণ করা নয়। বরং দাতার আমানতের সর্বোচ্চ ‘ভ্যালু ক্রিয়েট’ করা। যা একজন দাতার ব্যক্তিগত উদ্যোগে করা সম্ভব নয়।একটি বাস্তব উদাহরণ দেওয়া যাক। গত বছর আমরা ১৩ কোটি টাকা ব্যয়ে ১৬ টি ট্রেডে ২,১০০ জনেরও বেশি নারী-পুরুষকে কারিগরি প্রশিক্ষণ দিয়েছি। আলহামদুলিল্লাহ, প্রথম বছর শেষেই সেই শিক্ষার্থীরা সম্মিলিতভাবে আয় করেছেন প্রায় ৪২ কোটি টাকা, যা প্রতি বছর বাড়তেই থাকবে।১৩ কোটি টাকা সরাসরি বিলিয়ে দিলে মানুষ তাৎক্ষণিকভাবে উপকৃত হতেন এবং টাকাটা ওখানেই শেষ হয়ে যেত। কিন্তু প্রাতিষ্ঠানিক পরিকল্পনার কারণে সেই একই টাকা একসময় হাজার কোটি টাকার স্থায়ী কল্যাণে রূপ নেবে, ইনশাআল্লাহ। কাউকে প্রতিদিন মাছ কিনে দেওয়ার চেয়ে তাকে মাছ ধরা শিখিয়ে দেয়া আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের মূল দর্শন।হ্যাঁ, ব্যক্তিগতভাবে ঋণগ্রস্তকে সাহায্য করা বা চিকিৎসা সহায়তা দেওয়া অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ কাজ। তবে এক্ষেত্রে প্রাতিষ্ঠানিক স্তরের চেয়ে ব্যক্তিগত বা এলাকাভিত্তিক উদ্যোগ বেশি কার্যকর। কেন আমরা প্রজেক্টভিত্তিক কাজ করি? এর প্রধান কারণ স্বচ্ছতা। কোন খাতের অনুদান কোন প্রজেক্টে ব্যয় হবে, তা আমাদের ওয়েবসাইটে স্পষ্ট উল্লেখ থাকে। ফলে দাতার আমানত খেয়ানত হওয়ার সুযোগ নেই।আরেকটি কারণ ইনসাফ। প্রতিটি প্রজেক্টে নির্ধারিত নিয়মে আমাদের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট এবং ফেসবুক পেজে ঘোষণা দিয়ে উন্মুক্ত আবেদন আহ্বান করা হয়। এরপর মাঠপর্যায়ে পুঙ্খানুপুঙ্খ যাচাই-বাছাই শেষে প্রকৃত হকদারদের কাছে সহায়তা পৌঁছে দেয়া হয়। এখানে স্বজনপ্রীতি বা সুপারিশের কোনো স্থান নেই।আল্লাহর রহমতের পর আপনাদের দোয়া, আস্থা ও ভালোবাসাই আমাদের পথচলার মূল শক্তি। আল্লাহ আমাদের সবার নেক প্রচেষ্টাগুলো কবুল করুন। আমীন।
আরও পড়ুন
বিস্তারিত পড়ুন নিচের লিংকে প্রবেশ করুন। https://www.facebook.com/share/p/1BgjYBsp6T/
আরও পড়ুন
বিস্তারিত পড়ুন নিচের লিংকে প্রবেশ করুন। https://www.facebook.com/share/p/1BgjYBsp6T/
আরও পড়ুন
এই দেশে পাথর ছুড়ে অন্ধ করে দেয়াও কিছু মানুষের কাছে বিনোদন! কী ভয়ানক অসুস্থ সমাজে বসবাস করছি আমরা ।চলন্ত ট্রেনে প্রায়ই পাথর নিক্ষেপ এবং অন্ধ হওয়ার মতো...
আরও পড়ুন
এই দেশে পাথর ছুড়ে অন্ধ করে দেয়াও কিছু মানুষের কাছে বিনোদন! কী ভয়ানক অসুস্থ সমাজে বসবাস করছি আমরা ।চলন্ত ট্রেনে প্রায়ই পাথর নিক্ষেপ এবং অন্ধ হওয়ার মতো নির্মম ঘটনার সংবাদ পাওয়া যায়। যারা এই অমানবিক অপরাধের সাথে জড়িত, তাদের অধিকাংশই ঝরে পড়া কিশোর।এই নৃশংসতা থামাতে সরকারকে রেলপথে নিরাপত্তা জোরদার, ঝুঁকিপূর্ণ স্থান চিহ্নিতকরণ ও নজরদারি বাড়ানো, দোষীদের দ্রুত বিচারের আওতায় আনা এবং ঝরে পড়া শিশু-কিশোরদের শিক্ষা ও পুনর্বাসনের কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে।সেই সাথে রেললাইনের পাশের মসজিদের ইমাম, আলেম ও সচেতন নাগরিক সমাজকে এই বিষয়ে ব্যাপক জনসচেতনতা তৈরি করতে হবে। প্রয়োজনে ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলগুলোতে উদ্যমী তরুণেরা মাঝে মাঝে পাহারার ব্যবস্থা করতে পারে। রেল তুলনামূলক নিরাপদ ও সাশ্রয়ী যাতায়াত মাধ্যম। লক্ষ লক্ষ যাত্রীর নিরাপত্তার বিষয়টি মাথায় রেখে রেলপথকে নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন করা এখন সময়ের অন্যতম দাবি।
আরও পড়ুন
দুর্গত ৮টি উপজেলায় ৫০ টন পশুখাদ্য দেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।
আরও পড়ুন
- ১