প্রবাসীদের জন্য প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক থেকে সুদমুক্ত ঋণ দেয়ার দাবি তুলেছিলাম। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল বিষয়টি বাস্তবায়নের চেষ্টা ক...
আরও পড়ুনপ্রবাসীদের জন্য প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক থেকে সুদমুক্ত ঋণ দেয়ার দাবি তুলেছিলাম। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল বিষয়টি বাস্তবায়নের চেষ্টা করবেন বলে জানিয়েছিলেন। আমরা আনন্দিত যে, তিনি যথাযথ উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন এবং এক মাসের মধ্যেই প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকে শরিয়াহ উইং চালুর ঘোষণা দিয়েছেন। তাকে আন্তরিক ধন্যবাদ। এতে প্রবাসীদের জন্য সুদমুক্ত ঋণের পথ কিছুটা হলেও সুগম হবে ইনশাআল্লাহ।অবশ্য আমরা প্রথমে শরিয়া উইং চালুর দাবি করলেও আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন আয়োজিত প্রবাসীদের অনুষ্ঠান থেকে সর্বশেষ দাবি ছিল প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক থেকে প্রবাসীদের জন্য সম্পূর্ণ সুদ বা মুনাফামুক্ত ঋণ কার্যক্রম চালু করার। আশা করি, পরবর্তী ধাপে সে উদ্যোগ নেয়া হবে।আপাতত শরিয়াহ উইং খোলার ঘোষণাটি দ্রুত বাস্তবায়নের অনুরোধ জানাচ্ছি সংশ্লিষ্টদের প্রতি।
আরও পড়ুন
গতকালের অনুষ্ঠানে প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক থেকে সুদমুক্ত ঋণ পাওয়ার দাবি তুলেছেন প্রবাসীগণ। আমরা তাদের এই যৌক্তিক দাবির সাথে ঐকমত্য পোষণ করে সরকারের...
আরও পড়ুনগতকালের অনুষ্ঠানে প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক থেকে সুদমুক্ত ঋণ পাওয়ার দাবি তুলেছেন প্রবাসীগণ। আমরা তাদের এই যৌক্তিক দাবির সাথে ঐকমত্য পোষণ করে সরকারের প্রতি রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের ন্যায্য দাবি মেনে নেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।
আরও পড়ুন
গভীর রাতে আতশবাজির বিকট শব্দে ঘুম ভেঙে সন্ত্রস্ত হবে শিশুরা, ছটফট করবে হার্টের রোগী ও পাখিরা—এ কেমন সভ্য সমাজ? এই অনাচারের বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ আও...
আরও পড়ুনগভীর রাতে আতশবাজির বিকট শব্দে ঘুম ভেঙে সন্ত্রস্ত হবে শিশুরা, ছটফট করবে হার্টের রোগী ও পাখিরা—এ কেমন সভ্য সমাজ? এই অনাচারের বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ আওয়াজ তুলতে হবে।অল্প কিছু অমানুষের কাছে গোটা দেশ জিম্মি হয়ে থাকতে পারে না। থার্টিফার্স্ট নাইট উদযাপনের নামে এই উশৃঙ্খলা আইন করে নিষিদ্ধ করা হোক। এই অনাচার ও উশৃঙ্খলার বিরুদ্ধে পাড়ায় মহল্লায় উদ্যোগ নেওয়া হোক।
আরও পড়ুন
সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ইন্তেকালে আমরা গভীরভাবে শোকাহত। মহান আল্লাহ তার ভুল-ত্রুটি মার্জনা করে জান্নাতবাসী করুন। এই শোকের দিনে তার...
আরও পড়ুনসাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ইন্তেকালে আমরা গভীরভাবে শোকাহত। মহান আল্লাহ তার ভুল-ত্রুটি মার্জনা করে জান্নাতবাসী করুন। এই শোকের দিনে তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি।
আরও পড়ুন
তরুণ রাজনীতিক ও অ্যাক্টিভিস্ট শরীফ ওসমান হাদী গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনায় আমরা গভীরভাবে উদ্বিগ্ন ও মর্মাহত। আল্লাহ তাকে সুস্থভাবে আমাদের মাঝে ফিরিয়ে দিন।
আরও পড়ুন
তরুণ রাজনীতিক ও অ্যাক্টিভিস্ট শরীফ ওসমান হাদী গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনায় আমরা গভীরভাবে উদ্বিগ্ন ও মর্মাহত। আল্লাহ তাকে সুস্থভাবে আমাদের মাঝে ফিরিয়ে দিন।
আরও পড়ুন
ঘনঘন ভূমিকম্প নিছক ভূতাত্ত্বিক নড়াচড়া নয়, এটি আমাদের জন্য এক গভীর সতর্কবার্তা। হয়ত বড় কোনো বিপদ আসন্ন, সে সম্পর্কে আমরা জানি না। এরকম সময় তাওবার পাশাপ...
আরও পড়ুনঘনঘন ভূমিকম্প নিছক ভূতাত্ত্বিক নড়াচড়া নয়, এটি আমাদের জন্য এক গভীর সতর্কবার্তা। হয়ত বড় কোনো বিপদ আসন্ন, সে সম্পর্কে আমরা জানি না। এরকম সময় তাওবার পাশাপাশি বাস্তব প্রস্তুতি গ্রহণ করা আমাদের জন্য অপরিহার্য।আমরা বসবাস করি এমন এক ভৌগোলিক এলাকায়, যেখানে জনঘনত্ব ও অপরিকল্পিত নগরায়ণ এক ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। এখানে প্রতিটি অট্টালিকা যেন একেকটি সম্ভাব্য সমাধিসৌধ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ঢাকায় যদি ৭.৫ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানে, তাহলে এক লক্ষের বেশি ভবন ধসে যেতে পারে। চিন্তা করুন, এটি কত ভীতিজাগানিয়া পূর্বাভাস!দুঃখজনক হলো, এমন ভয়াবহ ঝুঁকির বিপরীতে রাষ্ট্রীয় প্রস্তুতি একেবারেই অপ্রতুল। আধুনিক প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত উদ্ধারকর্মীর সংখ্যা নগণ্য, বড় ধরনের উদ্ধারযুদ্ধ চালানোর মতো ভারী যন্ত্রপাতিও অপর্যাপ্ত। অগ্নিনির্বাপক বাহিনীর সীমিত সক্ষমতা দিয়ে হাজার হাজার ভগ্ন স্থাপনা সামলানো কেবলই কল্পনা। অথচ বিভিন্ন স্থাপনার নাম পরিবর্তন, ভাস্কর্য নির্মাণ বা অপ্রয়োজনীয় মেগা প্রকল্পেই নয়, নেতা-নেত্রীদের জন্য তোরণ নির্মাণ, রাজনৈতিক সভা-সমাবেশ, শোভাযাত্রা, নানা ধরনের আনুষ্ঠানিকতা ও ক্ষমতার প্রদর্শনীতেও বিপুল অর্থ ব্যয় হয়। দুর্নীতি ও অর্থপাচারের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় সম্পদের যে অপচয় ঘটে, তা এই অপ্রয়োজনীয় ব্যয়ের কাঠামোকে আরো প্রসারিত করে তোলে। সেই অর্থের সামান্য অংশও যদি দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রস্তুতি, ভূমিকম্প-প্রতিরোধী প্রযুক্তি, উদ্ধার সরঞ্জাম ও দক্ষ উদ্ধারকারী বাহিনীর প্রশিক্ষণে ব্যয় করা হতো—তাহলে সেটিই হতো সবচেয়ে যৌক্তিক ও বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ। এটি বিবেচিত হতো বর্তমানের সুরক্ষা এবং ভবিষ্যতের জন্য দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ হিসেবে।কিন্তু কেবল রাষ্ট্রীয় ব্যর্থতাকেই দায়ী করে ক্ষান্ত হওয়া যথেষ্ট নয়। আমরা যারা বাড়ি নির্মাণ করি, সামান্য আর্থিক লাভ বা অদূরদর্শিতার বশবর্তী হয়ে নির্মাণ বিধিমালা উপেক্ষা করি। প্রকৌশলীদের পরামর্শকে তুচ্ছজ্ঞান করে আমরা নিজ হাতে তৈরি করি আমাদের প্রিয়জনদের জন্য মৃত্যুফাঁদ। এটি কি একপ্রকার সামাজিক আত্মহত্যা নয়? বিপর্যয় পরবর্তী বিলাপের চেয়ে, বিপর্যয়রোধী প্রস্তুতিই তো বুদ্ধিমান ও দায়িত্বশীল মানুষের কাজ।রাষ্ট্রের উচিত এখনই একটি সমন্বিত পরিকল্পনা গ্রহণ করা। উদ্ধারকাজ, চিকিৎসা, জরুরি আশ্রয়, খাদ্য ও পানীয়ের ব্যবস্থা, ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ, যোগাযোগব্যবস্থা—সবকিছু নিয়ে একটি সুস্পষ্ট জাতীয় রোডম্যাপ তৈরি করা জরুরি। খোলা জায়গা সংরক্ষণ, পুরোনো ঝুঁকিপূর্ণ ভবন সংস্কার, নির্মাণসামগ্রীর মান নিয়ন্ত্রণ ছাড়াও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ এখনই গ্রহণ করা জরুরি।তবে প্রস্তুতি যেন কেবল ভৌত অবকাঠামোর ক্ষেত্রেই সীমাবদ্ধ না থাকে। জাগতিক প্রস্তুতির পাশাপাশি আমাদের আধ্যাত্মিক প্রস্তুতিও গ্রহণ করতে হবে। আল্লাহর রহমত ছাড়া কোনো পরিকল্পনা, প্রস্তুতি ও প্রযুক্তি নিরাপত্তা দিতে পারবে না। মনে রাখতে হবে, প্রতিটি দুর্যোগ আমাদের প্রতি সতর্কবার্তা। আমাদের সমাজের বিস্তৃত দুর্নীতি, জুলুম, অশ্লীলতা ও নৈতিক অবক্ষয় থেকে আমাদের গণতাওবা করা জরুরি। আল্লাহ আমাদের সবাইকে নিরাপদ রাখুন।
আরও পড়ুন
এভাবেই এক মহাকম্পন মহাপ্রলয়ে রূপ নেবে একদিন। সেদিন সম্পর্কে মহান আল্লাহ বলেন, হে মানুষ, তোমরা তোমাদের রবকে ভয় করো। নিশ্চয় কিয়ামতের প্রকম্পন এক ভয়ংকর ব্যাপার (সূরা হাজ্জ: ১)।ভূমিকম্পের মাত্রা আরেকটু বেশি হলেই হয়তো আমাদের অনেকের জীবনের শেষ দিন হতো আজ। আজকে ভূমিকম্প অনেক বড় সতর্কবার্তা রেখে গেল আমাদের জন্য।আসুন, বিলম্ব না করে আল্লাহর দিকে সমর্পিত হই। তাওবা করি। প্রস্তুত হই।
আরও পড়ুন
বিশ্বের বৃহত্তম মানবিক সংকটে পড়েছে আফ্রিকার দেশ সুদান। গত তিন দিনে অন্তত দেড় হাজার মানুষকে হত্যা করেছে স#ন্ত্রাসীরা, যার মধ্যে হাসপাতালের প্রায় প...
আরও পড়ুন
বিশ্বের বৃহত্তম মানবিক সংকটে পড়েছে আফ্রিকার দেশ সুদান। গত তিন দিনে অন্তত দেড় হাজার মানুষকে হত্যা করেছে স#ন্ত্রাসীরা, যার মধ্যে হাসপাতালের প্রায় পাঁচশ রোগী এবং তাদের স্বজনও রয়েছে।শুধু তাই নয়, ২০২৩ সালে শুরু হওয়া সংঘাতে এখন পর্যন্ত দেড় লাখের বেশি মানুষ মারা গেছে। এছাড়া স#ন্ত্রাসীদের ভয়ে দেশটির প্রায় ১ কোটি ২০ লাখ মানুষ ঘরবাড়ি ছেড়ে পালিয়েছে। দরিদ্র দেশটিতে এতবড় মানবিক বিপর্যয় চলছে অথচ বিপর্যয়ের তুলনায় মানবাধিকার সংস্থাগুলোর কার্যকর কোনো তৎপরতা চোখে পড়েনি। আফ্রিকায় শান্তিরক্ষা মিশনের উদ্দেশ্য নিয়ে সচেতন মানুষের মনে নানামুখী প্রশ্ন রয়েছে। সেই প্রশ্নই কি তবে সত্য? শান্তিরক্ষার নামে আফ্রিকায় তাদের কাজ কি তবে শুধুই নিজেদের আখের গোছানো?শান্তিরক্ষা নামের সার্থকতা রক্ষার্থেও কি তারা সুদানের স#হিংসতা বন্ধে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেবে না? এই একই ঘটনা উন্নত কোনো দেশে সংঘটিত হলে পৃথিবী জুড়ে যে তোলপাড় শুরু হতো এবং যে পরিমাণ মিডিয়া কাভারেজ পেত, তার সিকিভাগ মনোযোগও কি পাচ্ছে সুদান?গরিব এবং মুসলমান বলেই কি কথিত সভ্যদের কাছে তাদের জীবনের কোনো দাম নেই?
আরও পড়ুন
পরিবার হলো মানবসভ্যতার সূতিকাগার। পৃথিবীর সূচনালগ্ন থেকে মানবসভ্যতা যে বন্ধনের ওপর ভর দিয়ে টিকে আছে, তার নাম পরিবার। অথচ খুব ঠুনকো কারণে প্রতিদিন...
আরও পড়ুনপরিবার হলো মানবসভ্যতার সূতিকাগার। পৃথিবীর সূচনালগ্ন থেকে মানবসভ্যতা যে বন্ধনের ওপর ভর দিয়ে টিকে আছে, তার নাম পরিবার। অথচ খুব ঠুনকো কারণে প্রতিদিনই অসংখ্য পরিবার ভেঙে যাচ্ছে। একটি জরিপে দেখা গেছে, রাজধানীতে প্রতিদিন ভাঙছে প্রায় ৩৭ টি দাম্পত্য সম্পর্ক। মিনিটের হিসাবে প্রতি ৪০ মিনিটে ১ টি করে তালাকের ঘটনা ঘটছে।ইসলামে অপছন্দনীয় বৈধ কাজ বলা হয়েছে তালাককে। শুধু তাই নয়, কোথাও পরিবার ভাঙার সংবাদে শয়তান যতটা খুশি হয়, ততটা খুশি সে অন্য কোনো কারণে হয় না। তালাকের মাধ্যমে স্বামী-স্ত্রী আলাদা হয়ে যায়, তারা হয়তো নতুন করে জীবন শুরু করতে পারে, কিন্তু এর নির্মম বলির শিকার হয় সন্তান। বাবা-মার সংসার ভাঙার প্রেক্ষিতে সন্তানেরা যে মানসিক পীড়নের ভেতর দিয়ে বড় হয়, এই ট্রমা সারা জীবনেও তারা কাটিয়ে উঠতে পারে না। তালাক কোনো প্রশংসনীয় কাজ নয়। তালাক মূলত নিরুপায় অবস্থায় একটি বিষাক্ত সম্পর্ক থেকে বের হওয়ার দরজা। সম্পর্ক যতক্ষণ ধরে রাখার পর্যায়ে থাকে, ইসলাম ততক্ষণ এই দরজা খুলতে নিষেধ করে। তবে যখন বিশ্বাস ভেঙে যায়, মধুর সম্পর্ক বিষময় হয়ে ওঠে, আশার সকল প্রদীপ নিভে যায়, একজন অন্যজন থেকে এমনভাবে মুখ ফিরিয়ে নেয়, আর মিলনের কোনো সম্ভাবনাই বাকি থাকে না, ইসলাম তখনই তালাকের কথা ভাবতে বলেছে।তাও এমন পদ্ধতিতে তালাক দিতে বলেছে, যেন ভুল বোঝাবুঝির অবসান হলে চাইলেই আবার পূর্বের সম্পর্কে ফিরে আসা যায়।কিন্তু অধিকাংশ মানুষ ঠুনকো কারণে পূর্বাপর চিন্তা না করেই চূড়ান্ত তালাক দিয়ে বসে, যা তাদের পুনর্মিলনের মাঝে স্থায়ী পাঁচিল তুলে দেয়। এরপর যখন স্বাভাবিক অবস্থা ফিরে আসে, তারা আফসোস করতে থাকে। যে আফসোস তাদের ভাঙা সংসার জোড়া লাগাতে কোনোই ভূমিকা রাখে না।তাই তালাকের আগে ভাবুন। তালাক সম্পর্কে জানুন। বিজ্ঞ ও প্রাজ্ঞ মানুষের সাথে পরামর্শ করুন। অভিমান ও মনোমালিন্য জীবনের অংশ। নবীজির (সা.) সংসারেও মনোমালিন্য হয়েছে। কিন্তু সেই অভিমান কিংবা মনোমালিন্য তাদের সংসারে স্থায়ী ছাপ রাখতে পারেনি। বরং অভিমান ভেঙে আবার তিনি স্ত্রীদের সাথে ভালোবাসার সম্পর্ক গড়েছেন।তাই মনোমালিন্য কিংবা ভুল বোঝাবুঝি হলেই বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নেবেন না। আজ আপনার বয়স কম, তারুণ্যের রক্ত টগবগিয়ে ছুটছে আপনার শিরায় শিরায়। ভাবছেন, এত যন্ত্রণা নিয়ে সংসার করার চেয়ে একা থাকাই আরামের; কিন্তু এই তারুণ্য চিরস্থায়ী নয়। একদিন বার্ধক্য আপনার শরীরে বাসা বাঁধবে। সেদিন যখন একলা বিছানায় জ্বরে কাতরাবেন, কপালে রাখার মতো একটি ভালোবাসার হাত আপনি পাবেন না। দিনের শেষে ক্লান্ত হয়ে যখন আপনি ঘরে ফিরবেন, এক গ্লাস ঠান্ডা পানি বাড়িয়ে ধরার মতো মানুষ আপনি পাবেন না। একলা ঘরে অসহায় অবস্থায় আপনাকে ধুঁকে ধুঁকে মরতে হবে।তাই, সেই দুর্দিন আসার আগেই আসুন আমরা আমাদের দাম্পত্য সম্পর্কের প্রতি যত্নশীল হই।
আরও পড়ুন
এক শ্রেণীর হিন্দু যুবক তথাকথিত প্রেমের ফাঁদে ফেলে মুসলিম মেয়েদের ধর্ষণ করছে—এরকম একটি তথ্য অনেক দিন ধরেই শোনা যাচ্ছে। অথচ এ বিষয়ে প্রশাসনের কোনো পদক...
আরও পড়ুন
এক শ্রেণীর হিন্দু যুবক তথাকথিত প্রেমের ফাঁদে ফেলে মুসলিম মেয়েদের ধর্ষণ করছে—এরকম একটি তথ্য অনেক দিন ধরেই শোনা যাচ্ছে। অথচ এ বিষয়ে প্রশাসনের কোনো পদক্ষেপ চোখে পড়েনি।এর মাঝে বুয়েটের এক হিন্দু শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে মুসলিম মেয়েকে অজ্ঞান করে ধ#র্ষণ করার বিশ্বাসযোগ্য অভিযোগ উঠেছে। শুধু তাই নয়, মুসলিম নারীদের, বিশেষ করে পর্দানশীন মেয়েদের নিয়েও সোশ্যাল মিডিয়ায় তার কুরুচিপূর্ণ মন্তব্যের স্ক্রিনশট রয়েছে। তার এইসব ঘৃণ্য মন্তব্য থেকে বোঝা যায়—এগুলো তার ব্যক্তিগত অপরাধ নয়। বরং এগুলো সাম্প্রদায়িক অপরাধ এবং এর পেছনে আছে উগ্র হি#ন্দুত্ববাদী জিঘাংসা অথবা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট ও দেশকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টা।এদিকে গাজীপুরে তেরো বছরের এক মুসলিম কিশোরীকে ধ#র্ষণ করেছে একদল হিন্দু যুবক। প্রশাসন এই ধ#র্ষণকে প্রেমের সম্পর্ক বলে হালকা করার চেষ্টা করছে; যা দুর্ভাগ্যজনক।প্রচলিত আইনে ষোলো বছরের কম বয়সী মেয়েদের সম্মতি থাকুক অথবা না থাকুক, সেটা ধ#র্ষণ হিসেবেই বিবেচিত হয়।তারপরও প্রশাসন কর্তৃক বিষয়টিকে হালকা করার অপচেষ্টা কেন? ধ#র্ষক হিন্দু বলে? তের বছর বয়সের বিয়েকে বাল্যবিবাহ বলে তেড়ে আসতে দেখা যায়, এক্ষেত্রে দেখা গেল উল্টো ঘটনা।বুয়েটের ঘটনায় ইতোমধ্যে বুয়েটের শিক্ষার্থীরা অভিযুক্ত ধ#র্ষকের ছাত্রত্ব বাতিলসহ সর্বোচ্চ সাজার দাবিতে আন্দোলনে নেমেছে। ধ#র্ষকের সাথে ক্লাস না করার ঘোষণাও দিয়েছে তার সহপাঠীরা।আমরা শিক্ষার্থীদের এই ন্যায্য আন্দোলনের পক্ষে আছি। আমরা বুয়েট এবং গাজীপুরের ধ#র্ষকদের তদন্তপূর্বক দৃষ্টান্তমূলক সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করছি।সেই সাথে তথাকথিত প্রেমের ফাঁদে ফেলা সাম্প্রদায়িক ধ#র্ষণ চক্রের বিরুদ্ধেও কঠোর পদক্ষেপ নেয়ার জন্য সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
আরও পড়ুন
- ১