৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের বিস্মৃত ও হারিয়ে যেতে বসা সুন্নাহগুলোকে মানুষের মাঝে পুনরুজ্জীবিত করার লক্ষ্য নিয়ে যাত্রা শুরু করেছে...
আরও পড়ুন
৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের বিস্মৃত ও হারিয়ে যেতে বসা সুন্নাহগুলোকে মানুষের মাঝে পুনরুজ্জীবিত করার লক্ষ্য নিয়ে যাত্রা শুরু করেছে শায়খ আহমাদুল্লাহর নতুন ধারাবাহিক অনুষ্ঠান ‘হারিয়ে যাওয়া সুন্নাহ’। ইতোমধ্যে প্রকাশিত হয়েছে অনুষ্ঠানটির প্রথম পর্ব।নবী করিম (সা.)-এর অনেক গুরুত্বপূর্ণ সুন্নাহ সময়ের পরিক্রমায় মানুষের দৈনন্দিন জীবন থেকে হারিয়ে যাচ্ছে। কিছু সুন্নাহ সম্পর্কে মানুষ প্রায় ভুলেই গেছে, আবার কিছু সুন্নাহ সমাজে ভুলভাবে প্রচলিত রয়েছে। এমন বিস্মৃত, অবহেলিত ও ভুলভাবে প্রচলিত সুন্নাহগুলোকে কুরআন-সুন্নাহর আলোকে তুলে ধরে সঠিকভাবে মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়াই এই অনুষ্ঠানের অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য। অনুষ্ঠানটির মাধ্যমে শুধু সুন্নাহ সম্পর্কে জানানো নয়, বরং জানা, আমল করা এবং অন্যদের আমলে উৎসাহিত করার ধারাবাহিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন শায়খ আহমাদুল্লাহ। শায়খ আহমাদুল্লাহ বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর সুন্নাহ আমাদের জীবনের সৌন্দর্য ও পূর্ণতার পথ। আমরা নিজেরা সুন্নাহর আলোকে জীবন গড়ার পাশাপাশি অন্যদেরও সুন্নাহ পালনে উৎসাহিত করলে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন সৃষ্টি হতে পারে। ব্যক্তির পরিবর্তনের মধ্য দিয়েই পরিবার, সমাজ এবং বৃহত্তর পরিসরে পরিবর্তনের সূচনা হয়। ‘প্রিয়নবীর হারিয়ে যাওয়া সুন্নাহ’ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে মানুষকে নিজেদের জীবনে রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর সুন্নাহ ফিরিয়ে আনার পাশাপাশি পরিবার ও সমাজে তা ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। সুন্নাহর চর্চা বৃদ্ধি পেলে মানুষের নৈতিকতা, পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও সামাজিক মূল্যবোধ আরও শক্তিশালী হবে। অনুষ্ঠানটি প্রতি শুক্রবার দুপুর ২টা ১৫ মিনিটে শায়খ আহমাদুল্লাহর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ ও ইউটিউব চ্যানেলে নিয়মিত প্রকাশিত হবে। শায়খ আহমাদুল্লাহ আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, আসুন, আমরা রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর সুন্নাহ পালন করি, অন্যকে উৎসাহিত করি এবং এই দাওয়াহর কাজে অংশীদার হই।। ‘প্রিয়নবীর হারিয়ে যাওয়া সুন্নাহ’ অনুষ্ঠানটি নিজে দেখুন, সুন্নাহগুলো জানুন ও আমল করুন। পাশাপাশি পরিবার, বন্ধু ও পরিচিতদেরও অনুষ্ঠানটি দেখার এবং সুন্নাহগুলো নিজেদের জীবনে বাস্তবায়নের সুযোগ করে দিন।
২৪ আগস্ট, ২০২৬
মাদরাসা শিক্ষার প্রশাসনিক কাঠামো শক্তিশালী করা এবং বর্তমান সময়ের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় মাদরাসা পরিচালকদের আধুনিক ও যুগোপযোগী প্রশিক্ষণ দিয়েছে আস-সুন্নাহ...
আরও পড়ুন
২৪ আগস্ট, ২০২৬
মাদরাসা শিক্ষার প্রশাসনিক কাঠামো শক্তিশালী করা এবং বর্তমান সময়ের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় মাদরাসা পরিচালকদের আধুনিক ও যুগোপযোগী প্রশিক্ষণ দিয়েছে আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন। প্রশিক্ষণে ‘মাদরাসা শিক্ষার ভাবমূর্তি রক্ষা, সুশাসন ও সংকট উত্তরণের পথ’ বিষয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ সেশন পরিচালনা করেন শায়খ আহমাদুল্লাহ।এ ছাড়া তিন দিনব্যাপী এই প্রশিক্ষণ কর্মশালায় সংশ্লিষ্ট বিষয়ের বিশেষজ্ঞরা দশটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান করেন। প্রশিক্ষণের উল্লেখযোগ্য বিষয়গুলোর মধ্যে ছিল—এডুকেশনাল লিডারশিপ, ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্স, কনফ্লিক্ট ম্যানেজমেন্ট, আধুনিক আর্থিক ব্যবস্থাপনা, ডিজিটালাইজেশন ও আধুনিক টুলসের ব্যবহার, স্টুডেন্ট সাইকোলজি ও পার্সোনালিটি টাইপ (MBTI), আধুনিক পাঠদান পদ্ধতিসহ আরও বিভিন্ন বিষয়।গত ২২ থেকে ২৪ আগস্ট রাজধানীর আফতাবনগরে অবস্থিত আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয় এই প্রশিক্ষণ কর্মশালা। সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রশিক্ষণের ঘোষণা প্রকাশের পরপরই কর্মশালাটি ব্যাপক সাড়া ফেলে। প্রশিক্ষণে অংশ নিতে দেশের ৪৯টি জেলার ৩ হাজার ৬৭৩ জন মাদরাসা পরিচালক, শিক্ষাসচিব ও আবাসিক ইনচার্জ আবেদন করেন। আসনসংখ্যা সীমিত থাকায় তাদের মধ্য থেকে বাছাই করা মাত্র ২১০ জন প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণের সুযোগ পান।অংশগ্রহণকারী ওলামায়ে কেরাম এই উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তারা জানান, প্রথাগত মাদরাসা পরিচালনার বাইরে গিয়ে কর্পোরেট ও আধুনিক ব্যবস্থাপনার কৌশলগুলো শিখতে পেরে তারা অনেক উপকৃত হয়েছেন, যা তাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মানোন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা রাখবে।উল্লেখ্য, প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারীদের আবাসন, খাবার ও প্রশিক্ষণসামগ্রী আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনায় সম্পূর্ণ বিনামূল্যে সরবরাহ করা হয়। কোর্স শেষে অংশগ্রহণকারীদের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে সনদপত্রও তুলে দেওয়া হয়।মাদরাসা শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং দক্ষ ও যুগোপযোগী প্রশাসনিক নেতৃত্ব গড়ে তুলতে আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের এ ধরনের সৃজনশীল উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে ইনশাআল্লাহ।
১৮ আগস্ট, ২০২৬
১৮ আগস্ট, মঙ্গলবার রাজধানীর আহসানউল্লাহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (AUST) ‘হেদায়াতুস সাহম’ শীর্ষক একটি বিশেষ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিশ্ববিদ্...
আরও পড়ুন
১৮ আগস্ট, ২০২৬
১৮ আগস্ট, মঙ্গলবার রাজধানীর আহসানউল্লাহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (AUST) ‘হেদায়াতুস সাহম’ শীর্ষক একটি বিশেষ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. এম. এইচ. খান অডিটোরিয়ামে এ সেমিনারটি অনুষ্ঠিত হয়। Beyond the Degree: The Ummah Needs Your Potential (ডিগ্রির বাইরেও উম্মাহর জন্য আপনার সম্ভাবনা প্রয়োজন)—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আয়োজিত সেমিনারের মূখ্য আলোচক ছিলেন বিশিষ্ট ইসলামিক স্কলার ও আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শায়খ আহমাদুল্লাহ।তরুণদের উদ্দেশ্যে বক্তব্যে শায়খ আহমাদুল্লাহ নবী করিম (সা.)-এর তারুণ্যের জীবন থেকে শিক্ষা নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, তারুণ্য হেয়ালিপনার বয়স নয়; বরং নিজেকে উম্মাহর জন্য প্রস্তুত করার সময়। নবী করিম (সা.) তখনো নবুওয়াতপ্রাপ্ত হননি। কিন্তু তারুণ্যেই তিনি মানুষের কল্যাণে বহুবিধ কাজে যুক্ত হয়েছেন। মানুষের অধিকার ও কল্যাণে কাজ করার লক্ষ্যে গঠিত ঐতিহাসিক ‘হিলফুল ফুযুল’-এও তিনি যুক্ত হন। তাই তরুণদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, তারুণ্যের এই মূল্যবান সময় হেলায় নষ্ট করা যাবে না।তিনি তরুণদের সময়ের সঠিক ব্যবহারের ওপর গুরুত্বারোপ করে আরো বলেন, জীবনের এই মূল্যবান সময়কে কাজে লাগিয়ে নিজেদের যোগ্য, আদর্শিক ও নৈতিকভাবে দৃঢ় করে গড়ে তুলতে হবে। অর্জিত জ্ঞান ও দক্ষতাকে শুধু ব্যক্তিগত ক্যারিয়ারের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে দেশ, সমাজ ও উম্মাহর কল্যাণে কাজে লাগানোরও আহ্বান জানান তিনি।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আহসানউল্লাহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. আশরাফুল হক। আরো উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন পর্যায়ের শিক্ষক ও দায়িত্বশীল ব্যক্তিবর্গ।
১৬ আগস্ট, ২০২৬
গতকাল (১৫ আগস্ট, শনিবার) রাজধানীর উত্তরার স্কলারস ইন্টারন্যাশনাল তাহফিজ একাডেমির 'স্পেশাল প্যারেন্টিং সেশন ও সবক প্রদান অনুষ্ঠান ২০২৬'-অনুষ্ঠিত হয়েছে।...
আরও পড়ুন
১৬ আগস্ট, ২০২৬
গতকাল (১৫ আগস্ট, শনিবার) রাজধানীর উত্তরার স্কলারস ইন্টারন্যাশনাল তাহফিজ একাডেমির 'স্পেশাল প্যারেন্টিং সেশন ও সবক প্রদান অনুষ্ঠান ২০২৬'-অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন নন্দিত আলোচক, ইসলামিক স্কলার ও আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শায়খ আহমাদুল্লাহ। শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের উদ্দেশে শায়খ আহমাদুল্লাহ গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করেন। তিনি পবিত্র কুরআনের সুরা আর-রহমানের প্রথম আয়াতের ব্যাখ্যা করে বলেন, ‘শিক্ষার সঙ্গে মমতার সম্পর্ক অত্যন্ত গভীর। শিক্ষার্থীদের প্রতি পরম মমতা ধারণ করা ছাড়া কোনো শিক্ষক আদর্শ শিক্ষক হতে পারেন না।’সুরা আর-রহমানের প্রথম আয়াতের তরজমা হলো, ‘যিনি পরম দয়ালু, তিনি কুরআন শিক্ষা দিয়েছেন।’ শায়খ আহমাদুল্লাহ বলেন, শিক্ষার সঙ্গে দয়ার কী সম্পর্ক! আল্লাহ যদি বলতেন, ‘যিনি মহাজ্ঞানী, তিনি শিক্ষা দিয়েছেন’—তাহলে হয়তো বিষয়টি বেশি উপযুক্ত মনে হতো। কিন্তু আল্লাহ তা বলেননি। সুতরাং এর মাধ্যমে শিক্ষার সঙ্গে দয়ার সম্পর্ক কতটা গভীর, তা বোঝা যায়। তিনি সকল শিক্ষককে গভীর মমতার সঙ্গে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার আহ্বান জানান। এ ছাড়া সন্তানের জীবন গঠনে অভিভাবকদেরও গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা দেন তিনি। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ জনাব নূরুল ইসলাম মনি (এমপি)। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ।অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের নতুন সবক প্রদানের মাধ্যমে পবিত্র কুরআন হিফজের যাত্রা শুরু করা হয়। অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের প্রাণবন্ত উপস্থিতি ও নিবিড় মনোযোগে অনুষ্ঠানটি অত্যন্ত সফলভাবে সমাপ্ত হয়।
২৩ জুলাই, ২০২৬
আলেমদেরকে নির্দিষ্ট গণ্ডি পেরিয়ে সমাজের সর্বস্তরের মানুষের সাথে সংযোগ স্থাপন এবং বর্তমান পৃথিবীর বুদ্ধিবৃত্তিক লড়াইয়ে অবতীর্ণ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন ব...
আরও পড়ুন
২৩ জুলাই, ২০২৬
আলেমদেরকে নির্দিষ্ট গণ্ডি পেরিয়ে সমাজের সর্বস্তরের মানুষের সাথে সংযোগ স্থাপন এবং বর্তমান পৃথিবীর বুদ্ধিবৃত্তিক লড়াইয়ে অবতীর্ণ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বিশিষ্ট ইসলামিক স্কলার ও আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শায়খ আহমাদুল্লাহ। গতকাল ২২ জুলাই (বুধবার) আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন মসজিদ কমপ্লেক্সে ‘সমকালীন বিশ্বব্যবস্থা ও উম্মাহর সংকট উত্তরণে আলেম সমাজের করণীয়’ শীর্ষক সেমিনারে সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। এ সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্বখ্যাত আলেম ও অল ইন্ডিয়া মুসলিম পার্সোনাল ল বোর্ডের মুখপাত্র শায়খ ড. খলিলুর রহমান সাজ্জাদ নোমানী। এ সেমিনারে দেশের বিভিন্ন অঙ্গন থেকে বাছাইকৃত সাত শতাধিক উদীয়মান ও সম্ভাবনাময় তরুণ আলেম অংশগ্রহণ করেন। সভাপতির বক্তব্যে শায়খ আহমাদুল্লাহ আরো বলেন, ‘বর্তমান সময়ে আলেমদের গতানুগতিক ধারার ঊর্ধ্বে উঠে সুদূরপ্রসারী চিন্তার নেতৃত্ব গড়ে তোলার কোনো বিকল্প নেই। এ লক্ষ্য অর্জনে আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন উম্মাহর স্বার্থে নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করে যাচ্ছে। বর্তমান সমাজ বাস্তবতায় আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন একটি উদাহরণ তৈরি করার চেষ্টা করছে। আমরা শতভাগ চ্যালেঞ্জের সঙ্গে বলতে পারি সততা ও নৈতিকতার প্রশ্নে ফাউন্ডেশন আপসহীন। উদাহরণত—বর্তমানে আমাদের পাঁচ শতাধিক কর্মী ফাউন্ডেশনে কর্মরত, এর মধ্যে একজনও কোনো সুপারিসে কিংবা অনিয়মে নিয়োগ হয়নি। সবাই সম্পূর্ণ মেধা ও নৈতিক অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নিয়োগপ্রাপ্ত হয়েছেন।’ শায়খ ড. খলিলুর রহমান সাজ্জাদ নোমানীর ১২ দিনব্যাপী বাংলাদেশ সফরের এটি ছিল শেষ দিন এবং এ সেমিনারই ছিল তার সফরের সর্বশেষ কর্মসূচি। তিনি ‘সমকালীন বিশ্বব্যবস্থা ও উম্মাহর সংকট উত্তরণে আলেম সমাজের করণীয়’ বিষয়ে দেড় ঘণ্টাব্যাপী বক্তব্য রাখেন। বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘আজকের রাতটি হয়তো আমার বাংলাদেশে কাটানো সর্বশেষ রাত। এ কদিনে আমি উপলব্ধি করেছি, আপনাদের বহু ভালো গুণ রয়েছে। যদি এসব গুণের সঙ্গে সমঝদারি ও প্রজ্ঞা যুক্ত করতে পারেন, তাহলে আপনারা অনেক দূর এগিয়ে যেতে পারবেন। মনে রাখবেন, কেবল দ্বীনদার হওয়া যথেষ্ট নয়; সমঝদার হওয়াও জরুরি। ড. সাজ্জাদ নোমানী সতর্ক করে আরো বলেন, ‘একজন আলেমের সবচেয়ে বড় গুনাহ হলো অহংকার। শয়তান জিনা বা শিরকের জন্য নয়, বরং অহংকারের কারণে অভিশপ্ত হয়েছে। নিজেকে মুমিন-মুত্তাকি ভেবে অন্যদের পাপী বা নিচু ভাবার মানসিকতা থেকে আলেমদের বেঁচে থাকতে হবে।’ তিনি বর্তমান সময়ের তরুণদের মনস্তত্ত্ব বোঝার তাগিদ দিয়ে বলেন, ‘মাদরাসার মতো কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ প্রশ্নাতীত নয়। দ্বীনের কোনো বিষয় বুঝতে তাদের ভেতরে ‘কেন’ বা ‘কীভাবে’—এরকম প্রশ্ন আসা স্বাভাবিক। এতে আলেমদের বিরক্ত হওয়া যাবে না। অত্যন্ত ধৈর্য ও হেকমতের সাথে তাদের সংশয় দূর করতে হবে। তাদের সাথে মিশতে হবে। প্রয়োজনে ফুটবল টুর্নামেন্টের মতো খেলাধুলার ইভেন্ট আয়োজনের মাধ্যমে হলেও তাদের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে এবং ইসলামের সৌন্দর্য তাদের সামনে উপস্থাপন করতে হবে। অনুষ্ঠানটি সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় শুরু হয়ে শেষ হয় রাত সাড়ে দশটায়। এতে দেশের শীর্ষস্থানীয় আলেম, খতিব, লেখক ও গবেষকরা অংশগ্রহণ করেন। সর্বশেষ দোয়া ও রাতের খাবার পরিবেশনের মাধ্যমে সমাপ্ত হয় অনুষ্ঠান।
৮ জুলাই, ২০২৬
সৎ, নৈতিক ও কল্যাণমুখী আদর্শ সমাজ বিনির্মাণ ও সমাজে দ্বীনি দাওয়াহ কার্যকর ও গতিশীল করার লক্ষ্যে ইমামদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছে আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন। শায়খ আহ...
আরও পড়ুন
৮ জুলাই, ২০২৬
সৎ, নৈতিক ও কল্যাণমুখী আদর্শ সমাজ বিনির্মাণ ও সমাজে দ্বীনি দাওয়াহ কার্যকর ও গতিশীল করার লক্ষ্যে ইমামদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছে আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন। শায়খ আহমাদুল্লাহর প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধান ও দিকনির্দেশনায় সারাদেশের বিভাগভিত্তিক নির্বাচিত ইমাম-খতিবদের নিয়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে এ প্রশিক্ষণ কর্মসূচি। এ পর্যন্ত রংপুর ও রাজশাহী বিভাগসহ মোট তিনটি প্রশিক্ষণ সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। এতে প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করেছেন বর্তমানে বিভিন্ন মসজিদে দায়িত্বরত ৩২০ জন ইমাম-খতিব। শায়খ আহমাদুল্লাহ বলেন, একটি সমাজের ইমাম হলেন সেই সমাজের সবচেয়ে শ্রদ্ধেয়, গ্রহণযোগ্য ও জনসম্পৃক্ত মানুষ। সুখে-দুঃখে, পারিবারিক সংকটে কিংবা শরয়ী বিধান জানাসহ জীবনের নানা ক্ষেত্রে মানুষ ইমামের শরণাপন্ন হোন। ইমামগণ যদি এ সুযোগকে কাজে লাগিয়ে আধুনিক বিশ্বের চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে সম্যক ধারণা নিয়ে পরিকল্পিতভাবে সমাজ গঠনে ভূমিকা রাখেন, তাহলে দুর্নীতিমুক্ত, সৎ ও নৈতিক সমাজ প্রতিষ্ঠা কেবল সময়ের অপেক্ষা মাত্র। এই লক্ষ্যকে সামনে রেখেই এই প্রশিক্ষণে ইমামদেরকে সমসাময়িক ও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ২০টিরও বেশি বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়। এর মধ্যে রয়েছে—লিডারশিপ ও পার্সোনাল ডেভেলপমেন্ট, দাওয়াহ ও মনস্তত্ত্ব, ইমোশোনাল ইন্টিলিজেন্স, মসজিদকে প্রোডাক্টিভ করার কৌশল, দাওয়ার ক্ষেত্রে মডার্ন টুলসের ব্যবহার ও ফ্যাক্ট চেকিং, পাবলিক স্পিকিং, ইফেক্টিভ কমিউনিকেশন অ্যান্ড কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট, টাইম ম্যানেজমেন্ট, LGBTQ ও জেন্ডার ফিতনা : ভয়াবহতা ও জরুরি নিবেদন, দৈনন্দিন শরীরচর্চা : প্রয়োজনীয়তা। প্রশিক্ষণ প্রদান করেন সংশ্লিষ্ট বিষয়ে বিশেষজ্ঞগণ। আর ‘আদর্শ ইমামের বৈশিষ্ট্য ও গুণাবলি’ বিষয়ে নিয়মিত একটি সেশন নেন শায়খ আহমাদুল্লাহ নিজেই। এতে তিনি ইমামদের দায়িত্ববোধ, বৈশিষ্ট্য, দাওয়াহর কৌশল এবং একজন ইমামের সমাজ পরিবর্তনে কার্যকর ভূমিকা নিয়ে বিস্তর প্রশিক্ষণ দেন। পর্যায়ক্রমে সারাদেশের ইমাম-খতিবদের এই প্রশিক্ষণের আওতায় নিয়ে আসা হবে।
১৬ মে, ২০২৬
আজ (১৬ মে, শনিবার) আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ফাউন্ডেশন মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘জেনজি ইম্পেক্ট লিডার প্রোগ্রাম-২০২৬’। এতে শায়খ আহমাদুল্লাহ...
আরও পড়ুন
১৬ মে, ২০২৬
আজ (১৬ মে, শনিবার) আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ফাউন্ডেশন মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘জেনজি ইম্পেক্ট লিডার প্রোগ্রাম-২০২৬’। এতে শায়খ আহমাদুল্লাহ তরুণদের উদ্দেশে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনামূলক নসীহা করেন। দেশপ্রেমিক, দক্ষ ও নৈতিক প্রজন্ম গড়ে তোলার লক্ষ্যে আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন নিরন্তর কাজ করে যাচ্ছে। তারই অংশ হিসাবে অনুষ্ঠিত হয় এই অনুষ্ঠান। এতে দেশের ২১টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬৩টি ক্লাবের ১২০ জন মেধাবী তরুণ অংশগ্রহণ করেন। তরুণদের উদ্দেশে শায়খ আহমাদুল্লাহ বলেন, ‘তোমাদের ওপরই নির্ভর করছে আগামীর দেশ, জাতি এবং উম্মাহর ভবিষ্যৎ। তোমরাই আগামী নির্মাণ করবে। সুতরাং তোমাদের আমরা এমনভাবে দেখতে চাই যে, শিক্ষা-দীক্ষায় যেমন দক্ষ হবে, তেমনি আখলাক ও চরিত্রেও হবে আদর্শবান। সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে তোমাদের অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘যোগ্য নেতৃত্বের অভাব পূরণে তরুণদের এখনই প্রস্তুতি নিতে হবে। উম্মাহর প্রতি দরদ নিয়ে তোমাদের এগিয়ে আসতে হবে। নিজেদের আইডেন্টিটি রক্ষায় যত্নবান হতে হবে। শত প্রতিকূলতার মধ্যেও আত্মপরিচয়ে অটুট থাকতে হবে।’ এ সময় তিনি তরুণদের জীবনমুখী বিভিন্ন প্রশ্নেরও উত্তর দেন। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক সাব্বির আহমেদ। তিনি ফাউন্ডেশনের বর্তমান নানামুখী কার্যক্রম ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরে তরুণদের মানবিক ও সামাজিক কাজে সক্রিয় হওয়ার উদাত্ত আহ্বান জানান।আলোচনা পর্ব শেষে অংশগ্রহণকারী তরুণদের আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের বিভিন্ন প্রকল্প ঘুরিয়ে দেখানো হয়। তারা ফাউন্ডেশন পরিচালিত স্কিল ডেভেলপমেন্ট ইনস্টিটিউট, আস-সুন্নাহ দাওয়াহ অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউট, মসজিদ কমপ্লেক্স ও মাদরাসা পরিদর্শন করেন।
৯ মে, ২০২৬
দীর্ঘ সাত বছরের নিরবচ্ছিন্ন পথচলা শেষে ৩০০তম পর্বের মাইলফলক স্পর্শ করল শায়খ আহমাদুল্লাহর জনপ্রিয় লাইভ প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান ‘শরয়ী সমাধান’। এটি আস-...
আরও পড়ুন
৯ মে, ২০২৬
দীর্ঘ সাত বছরের নিরবচ্ছিন্ন পথচলা শেষে ৩০০তম পর্বের মাইলফলক স্পর্শ করল শায়খ আহমাদুল্লাহর জনপ্রিয় লাইভ প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান ‘শরয়ী সমাধান’। এটি আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের দাওয়াহ কার্যক্রমের মধ্যে অন্যতম সফল ও প্রাণবন্ত অনুষঙ্গ। এর মাধ্যমে হাজার হাজার মানুষ তাদের জীবন ও দ্বীনি জিজ্ঞাসার উত্তর পেয়ে থাকেন। অনুষ্ঠানটির ৩০০তম পর্বের মাইলফলক উপলক্ষ্যে শুক্রবার (৮ মে) ফাউন্ডেশন মিলনায়তনে আয়োজিত হয় ৩০১তম বিশেষ পর্ব ‘সামনাসামনি প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান’। এতে নিয়মিত দর্শকদের মধ্য থেকে চার শতাধিক দর্শক অংশগ্রহণ করেন। উপস্থিত ছিলেন অনুষ্ঠানটি সুচারুরূপে সম্প্রচারিত হওয়ার নেপথ্যে কাজ করা সকল কলা-কুশলী। সাব্বির জাদিদের সঞ্চালনায় পবিত্র কুরআন মাজিদ তেলাওয়াতের মাধ্যমে শুরু হয় অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানের শুরুতেই সঞ্চালক একে একে সকল কলা-কুশলীদের পরিচয় করান। কলা-কুশলীদের পক্ষ থেকে একজন অনুভূতি ব্যক্ত করেন।এরপর বক্তব্য রাখেন আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী সাব্বির আহমেদ। তিনি দর্শকদের সামনে ‘শরয়ী সমাধান’ অনুষ্ঠানের স্মৃতি, সংকট ও নানাবিধ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার গল্প তুলে ধরেন। এরপর অনুষ্ঠানের শুরু থেকে এই পর্যন্ত দীর্ঘ সাত বছর নিরলস কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ ফাউন্ডেশনের মিডিয়া বিভাগের কর্মী আজিজ আহমেদ ও মাহদী হাসানকে সম্মাননা প্রদান করেন শায়খ আহমাদুল্লাহ। কলা-কুশলীদের পক্ষ থেকেও শায়খ আহমাদুল্লাহকেও একটি বিশেষ সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।এছাড়া অনুষ্ঠানে একটি বিশেষ তথ্যচিত্র প্রদর্শিত হয়, যেখানে লাইভ প্রশ্নোত্তরের সাত বছরের বিভিন্ন পরিসংখ্যান তুলে ধরা হয়। দর্শকদের থেকে দুজন নিয়মিত দর্শকের অনুভূতি গ্রহণ করা হয়। গাজীপুর থেকে আগত দর্শক রায়হান আলী বলেন, ‘আমি প্রতি শুক্রবার এই অনুষ্ঠানটির জন্য অধীর আগ্রহে বসে থাকি। এবং শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত অনুষ্ঠানটি দেখি। এই অনুষ্ঠানের একটি প্রশ্নোত্তর থেকে আমি আমার জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সঠিক সিদ্ধান্তটি নিতে পেরেছি।’ এছাড়াও এই অনুষ্ঠানের আরো অনেক এমন অগণিত দর্শক আছেন যারা অনুষ্ঠানটি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত দেখেন। এরপর তিনজন অনন্য দর্শককে সম্মাননা প্রদান করা হয়। সাত বছর আগে অনুষ্ঠানটির সূচনা পর্বে প্রথম কমেন্টকারী সাইমুম সাদী, ৩০০টি পর্বই ধারাবাহিকভাবে দেখা নারী সুলতানা ইসলাম এবং প্রথম দিকে অনুষ্ঠানটি সুন্দরভাবে পরিচালনার জন্য কারিগরি সহযোগিতা প্রদানকারী জনাব জাকির হোসেনকে বিশেষ সম্মাননা দেয়া হয়।৩০১ তম পর্ব অনুষ্ঠানের প্রধান আকর্ষণ ছিল শায়খ আহমাদুল্লাহর সামনাসামনি প্রশ্নোত্তর পর্ব। শায়খ উপস্থিত দর্শকদের করা বিভিন্ন দ্বীনি ও সমসাময়িক জীবন-জিজ্ঞাসার অত্যন্ত চমৎকার ও তথ্যবহুল সমাধান প্রদান করেন। এর আগে শায়খ আহমাদুল্লাহ তার বক্তব্যে এই লাইভ অনুষ্ঠানটি পরিচালনার নানা অভিজ্ঞতা ও তিক্ত বাস্তবতা শেয়ার করেন। তিনি বলেন, ‘এই শরয়ী সমাধান অনুষ্ঠানটিই আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের প্রথম প্রকল্প। তখন লোকবল ছিল না, ভালো একটা পিসিও ছিল না। একেবারে আনাড়ি তিনজন লোক এবং একটি গ্যারেজে ১০ হাজার টাকা খরচে অস্থায়ী স্টুডিও করে শুরু করি এই অনুষ্ঠান। এরই মধ্যে দেশের খ্যাতনামা এক শিল্প প্রতিষ্ঠান থেকে অফার আসে যে, তারা এই অনুষ্ঠানটি তাদের লোগো ব্যবহার করে সম্প্রচার করবে। আর এর বিনিময়ে মাসে আট লাখ মানে প্রতি পর্বে দুই লাখ করে টাকা দেবে। কিন্তু তা আমরা গ্রহণ করিনি। যদিও আমাদের সেই সংকটময় মুহূর্তে এমন একটা অফার প্রত্যাখ্যান করা সহজ ব্যাপার ছিল না। কিন্তু আল্লাহর ওপর ভরসা রেখে আমরা তা প্রত্যাখান করেছি। আজ হাঁটি হাঁটি পা পা করে এই অনুষ্ঠান ৩০০ তম পর্ব সমাপ্তি হলো।’এরপর শায়খ আহমাদুল্লাহ শুরু থেকে এই পর্যন্ত সকল দর্শকের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। এশার নামাজের বিরতির পর শুরু হয় এক অনন্য মুহূর্ত। উপস্থিত চার শতাধিক দর্শক সরাসরি শায়খের সাথে মুসাফাহা ও শুভেচ্ছা বিনিময়ের সুযোগ পান। পরিশেষে সবার জন্য বিশেষ নাস্তার আয়োজনের মাধ্যমে এই স্মরণীয় অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।উল্লেখ্য, অনুষ্ঠানটি বর্তমানে বাংলাভাষী মুসলিমদের কাছে দ্বীনি জ্ঞানার্জনের অন্যতম নির্ভরযোগ্য মাধ্যমে পরিণত হয়েছে। ৩০০তম পর্বের এই বিশেষ আয়োজনে অনলাইন ও অফলাইনে দশ সহস্রাধিক মানুষ অনুষ্ঠানটির উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি কামনার পাশাপাশি এটি যেন দীর্ঘদিন ধারাবাহিকভাবে চালু থাকে—সেই প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন।
২০ এপ্রিল, ২০২৬
‘আমাদের দেশে সাধারণ শিক্ষাধারার কৃতি শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করতে বিভিন্ন ব্যাংক, এনজিও ও বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান নানা আয়োজন করে থাকে। কিন্তু...
আরও পড়ুন
২০ এপ্রিল, ২০২৬
‘আমাদের দেশে সাধারণ শিক্ষাধারার কৃতি শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করতে বিভিন্ন ব্যাংক, এনজিও ও বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান নানা আয়োজন করে থাকে। কিন্তু জাতীয় পর্যায়ে কওমী মাদরাসার মেধাবীদের যথাযথ স্বীকৃতি ও গাইডলাইনের তীব্র অভাব। সেই সাথে এ ধরনের উৎসাহমূলক আয়োজনও অপ্রতুল। এই অভাব পূরণে তরুণ আলেমদের গবেষণামুখী ও আত্মবিশ্বাসী করে গড়ে তুলতে এবং যথাযথ পথনির্দেশ প্রদান করতে আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন তার সাধ্যমতো উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। আমরা চাই এই মেধাবীরা যেন তাদের সম্ভাবনাকে সর্বোচ্চ কাজে লাগাতে পারেন এবং সময়ের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় দক্ষ হয়ে গড়ে ওঠেন।’১৭ এপ্রিল, শুক্রবার আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন আয়োজিত ‘কওমী কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা-২০২৬’ এর অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন শায়খ আহমাদুল্লাহ। এই অনুষ্ঠানে কওমী মাদরাসার সর্বোচ্চ স্তর দাওরায়ে হাদিসের (মাস্টার্স সমমান) কেন্দ্রীয় পরীক্ষায় দেশসেরা মেধার স্বাক্ষর রাখা ৫০০ জন তরুণ আলেমকে ৪৫ লক্ষ টাকার সংবর্ধনা ও পুরস্কার প্রদান করা হয়। এদিন সকাল ৯টা থেকে শুরু হয়ে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ফাউন্ডেশনের নিজস্ব অডিটোরিয়ামে অত্যন্ত আনন্দঘন পরিবেশে এ অনুষ্ঠান চলে। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন জাতীয় মসজিদ বাইতুল মোকাররমের খতিব মাওলানা আব্দুল মালেক। তিনি তরুণ আলেমদের ভবিষ্যৎ পথচলা বিষয়ক গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনামূলক নসিহা পেশ করেন। জ্ঞানচর্চা, আমল-আখলাক ও উম্মাহর খেদমতে সদা সচেষ্ট ও নিবেদিত থাকার আহ্বান জানান। সেই সাথে সর্বদা সঠিক মত ও পথের ওপর অবিচল থাকতে বলেন তিনি। অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী সাব্বির আহমাদ। তিনি আয়োজনে উপস্থিত সকল অতিথি, ওলামায়ে কেরাম ও কৃতি শিক্ষার্থীদের আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান এবং এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা মাহফুজুল হক। তিনি বলেন, ‘কওমী শিক্ষার্থীদের জন্য এ ধরনের আয়োজন বিরল। অথচ আদর্শ সমাজ গঠনে কওমী ছাত্রদের অবদান অনস্বীকার্য। আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে তিনি বলেন, আমি আশা করছি, এই উদ্যোগ তরুণ আলেমদের উচ্চতর শিক্ষা ও গবেষণায় নতুন করে উদ্দীপনা জোগাবে ইনশাল্লাহ। এছাড়া অনুষ্ঠানে আরও বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন প্রবীণ আলেম, মাদরাসা দারুর রাশাদের শিক্ষাসচিব মাওলানা লিয়াকত আলী, জামিয়াতুল উলুমিল ইসলামিয়ার শায়খুল হাদিস মাওলানা আবুল বাশার মুহাম্মাদ সাইফুল ইসলাম, প্রবীণ ইসলামিক স্কলার, গবেষক ও ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় কুষ্টিয়ার সাবেক অধ্যাপক ডক্টর এ.বি.এম হিজবুল্লাহ, হাটহাজারী মাদরাসার উচ্চতর হাদিস বিভাগের প্রধান ড. নুরুল আবসার আজহারী, লেখক ও মিডিয়া ব্যক্তিত্ব শরীফ মুহাম্মদ ও বিশিষ্ট ইসলামি অর্থনীতিবিদ ড. ইউসুফ সুলতান, অন্যরকম গ্রুপের চেয়ারম্যান মাহমুদুল হাসান সোহাগ ও আদ-দ্বীন হাসপাতালের নির্বাহী পরিচালক শেখ মহিউদ্দীনসহ আরও বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও ওলামায়ে কেরাম। আল-হাইয়াতুল উলয়া লিল জামিয়াতিল কওমিয়া বাংলাদেশ-এর অধীনে অনুষ্ঠিত কেন্দ্রীয় পরীক্ষায় মেধা তালিকায় স্থানপ্রাপ্ত ১১১ জনের মধ্য থেকে ১০২ জন ও মুমতাজ (জিপিএ-৫ সমমান) অর্জনকারী ১৫৭৫ জন থেকে ১১১৯ জন আবেদন করেন। সেখান থেকে প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে সেরা ৫০০ জনকে এই সম্মাননা প্রদান করা হয়।পুরস্কার হিসাবে দেয়া হয় সেরা ৪ জনকে পবিত্র উমরাহ পালনের সুযোগ ও ১০ হাজার টাকা সমমূল্যের বই-পুস্তক কেনার ভাউচার। এছাড়া অন্যান্যদের মধ্যে মেধাক্রম অনুযায়ী ১ লক্ষ টাকা সমমূল্যের বই-পুস্তক থেকে শুরু করে বিভিন্ন অংকের ভাউচার ও সম্মাননা ক্রেস্ট দেয়া হয়। পাশাপাশি ‘আদ-দ্বীন’ হাসপাতালের বিশেষ ‘ডিসকাউন্ট কার্ড’ প্রদান করা হয়।
১৯ এপ্রিল, ২০২৬
আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনায় ২০২৬ সালের হজযাত্রীদের জন্য আয়োজিত বিশেষ হজ প্রশিক্ষণ কর্মশালা দুই পর্বে সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। এতে প্রশিক্ষণ প্রদ...
আরও পড়ুন
১৯ এপ্রিল, ২০২৬
আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনায় ২০২৬ সালের হজযাত্রীদের জন্য আয়োজিত বিশেষ হজ প্রশিক্ষণ কর্মশালা দুই পর্বে সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। এতে প্রশিক্ষণ প্রদান করেন আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শায়খ আহমাদুল্লাহ।১৪ এপ্রিল ও ১৮ এপ্রিল দুই পর্বে অনুষ্ঠিত এ কর্মশালায় মোট ১১০০ জন হজযাত্রী অংশগ্রহণ করেন। ফাউন্ডেশনের নিজস্ব অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয় এই কর্মশালা। এতে প্রায় চারশ স্লাইডের মাধ্যমে শায়খ আহমাদুল্লাহ হজের বিধান, গুরুত্বপূর্ণ মাসায়েল এবং সফরকালীন করণীয় বিষয়গুলো সহজ ও বোধগম্যভাবে ব্যাখ্যা করেন। তার উপস্থাপনায় হজের জটিল বিষয়গুলোও হয়ে ওঠে পরিষ্কার ও হৃদয়গ্রাহী।এর পাশাপাশি তিনি উমরার নিয়মাবলি ও মদিনা জিয়ারতের আদব ও করণীয় বিষয়েও অত্যন্ত প্রাণবন্ত ও সাবলীল আলোচনা করেন।এছাড়া হজের প্রস্তুতি বিষয়ক একটি সেশন নেন আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক সাব্বির আহমাদ ও ‘স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট’ বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ প্রদান করেন মোটিভেশনাল স্পিকার ফাহিম আব্দুল্লাহ। প্রশিক্ষণ শেষে অনুষ্ঠিত হয় বিশেষ প্রশ্নোত্তর পর্ব। সেখানে হজযাত্রীদের বিভিন্ন জটিল প্রশ্নের জবাব দেন শায়খ আহমাদুল্লাহ। কর্মশালায় অংশগ্রহণকারী হজযাত্রীদের উপস্থিতি ও উদ্দীপনা ছিল চোখে পড়ার মতো। হজের সঠিক পদ্ধতি সম্পর্কে সাধারণ মানুষকে সচেতন ও প্রশিক্ষিত করতে আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের এই উদ্যোগ বরাবরই প্রশংসিত।
- ১