১৮ আগস্ট, ২০২৬
১৮ আগস্ট, মঙ্গলবার রাজধানীর আহসানউল্লাহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (AUST) ‘হেদায়াতুস সাহম’ শীর্ষক একটি বিশেষ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিশ্ববিদ্...
আরও পড়ুন
১৮ আগস্ট, ২০২৬
১৮ আগস্ট, মঙ্গলবার রাজধানীর আহসানউল্লাহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (AUST) ‘হেদায়াতুস সাহম’ শীর্ষক একটি বিশেষ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. এম. এইচ. খান অডিটোরিয়ামে এ সেমিনারটি অনুষ্ঠিত হয়। Beyond the Degree: The Ummah Needs Your Potential (ডিগ্রির বাইরেও উম্মাহর জন্য আপনার সম্ভাবনা প্রয়োজন)—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আয়োজিত সেমিনারের মূখ্য আলোচক ছিলেন বিশিষ্ট ইসলামিক স্কলার ও আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শায়খ আহমাদুল্লাহ।তরুণদের উদ্দেশ্যে বক্তব্যে শায়খ আহমাদুল্লাহ নবী করিম (সা.)-এর তারুণ্যের জীবন থেকে শিক্ষা নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, তারুণ্য হেয়ালিপনার বয়স নয়; বরং নিজেকে উম্মাহর জন্য প্রস্তুত করার সময়। নবী করিম (সা.) তখনো নবুওয়াতপ্রাপ্ত হননি। কিন্তু তারুণ্যেই তিনি মানুষের কল্যাণে বহুবিধ কাজে যুক্ত হয়েছেন। মানুষের অধিকার ও কল্যাণে কাজ করার লক্ষ্যে গঠিত ঐতিহাসিক ‘হিলফুল ফুযুল’-এও তিনি যুক্ত হন। তাই তরুণদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, তারুণ্যের এই মূল্যবান সময় হেলায় নষ্ট করা যাবে না।তিনি তরুণদের সময়ের সঠিক ব্যবহারের ওপর গুরুত্বারোপ করে আরো বলেন, জীবনের এই মূল্যবান সময়কে কাজে লাগিয়ে নিজেদের যোগ্য, আদর্শিক ও নৈতিকভাবে দৃঢ় করে গড়ে তুলতে হবে। অর্জিত জ্ঞান ও দক্ষতাকে শুধু ব্যক্তিগত ক্যারিয়ারের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে দেশ, সমাজ ও উম্মাহর কল্যাণে কাজে লাগানোরও আহ্বান জানান তিনি।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আহসানউল্লাহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. আশরাফুল হক। আরো উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন পর্যায়ের শিক্ষক ও দায়িত্বশীল ব্যক্তিবর্গ।
১৬ আগস্ট, ২০২৬
গতকাল (১৫ আগস্ট, শনিবার) রাজধানীর উত্তরার স্কলারস ইন্টারন্যাশনাল তাহফিজ একাডেমির 'স্পেশাল প্যারেন্টিং সেশন ও সবক প্রদান অনুষ্ঠান ২০২৬'-অনুষ্ঠিত হয়েছে।...
আরও পড়ুন
১৬ আগস্ট, ২০২৬
গতকাল (১৫ আগস্ট, শনিবার) রাজধানীর উত্তরার স্কলারস ইন্টারন্যাশনাল তাহফিজ একাডেমির 'স্পেশাল প্যারেন্টিং সেশন ও সবক প্রদান অনুষ্ঠান ২০২৬'-অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন নন্দিত আলোচক, ইসলামিক স্কলার ও আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শায়খ আহমাদুল্লাহ। শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের উদ্দেশে শায়খ আহমাদুল্লাহ গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করেন। তিনি পবিত্র কুরআনের সুরা আর-রহমানের প্রথম আয়াতের ব্যাখ্যা করে বলেন, ‘শিক্ষার সঙ্গে মমতার সম্পর্ক অত্যন্ত গভীর। শিক্ষার্থীদের প্রতি পরম মমতা ধারণ করা ছাড়া কোনো শিক্ষক আদর্শ শিক্ষক হতে পারেন না।’সুরা আর-রহমানের প্রথম আয়াতের তরজমা হলো, ‘যিনি পরম দয়ালু, তিনি কুরআন শিক্ষা দিয়েছেন।’ শায়খ আহমাদুল্লাহ বলেন, শিক্ষার সঙ্গে দয়ার কী সম্পর্ক! আল্লাহ যদি বলতেন, ‘যিনি মহাজ্ঞানী, তিনি শিক্ষা দিয়েছেন’—তাহলে হয়তো বিষয়টি বেশি উপযুক্ত মনে হতো। কিন্তু আল্লাহ তা বলেননি। সুতরাং এর মাধ্যমে শিক্ষার সঙ্গে দয়ার সম্পর্ক কতটা গভীর, তা বোঝা যায়। তিনি সকল শিক্ষককে গভীর মমতার সঙ্গে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার আহ্বান জানান। এ ছাড়া সন্তানের জীবন গঠনে অভিভাবকদেরও গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা দেন তিনি। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ জনাব নূরুল ইসলাম মনি (এমপি)। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ।অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের নতুন সবক প্রদানের মাধ্যমে পবিত্র কুরআন হিফজের যাত্রা শুরু করা হয়। অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের প্রাণবন্ত উপস্থিতি ও নিবিড় মনোযোগে অনুষ্ঠানটি অত্যন্ত সফলভাবে সমাপ্ত হয়।
১০ ডিসেম্বর, ২০২৫
রাজধানীর নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি (এনএসইউ) ক্যাম্পাসে বিপুল উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘কুরআন কনফারেন্স ও সীরাত এক্সিবিশন-২০২৫’। আধুনিক...
আরও পড়ুন
১০ ডিসেম্বর, ২০২৫
রাজধানীর নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি (এনএসইউ) ক্যাম্পাসে বিপুল উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘কুরআন কনফারেন্স ও সীরাত এক্সিবিশন-২০২৫’। আধুনিক শিক্ষার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের মাঝে নৈতিকতা ও ধর্মীয় মূল্যবোধ ছড়িয়ে দেয়ার লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এই সম্মেলনের আয়োজন করেন। এতে দেশের প্রখ্যাত ইসলামী চিন্তাবিদ ও স্কলারগণ বক্তব্য রাখেন।গতকাল (৯ ডিসেম্বর, মঙ্গলবার) বিশ্ববিদ্যালয়ের বসুন্ধরা ক্যাম্পাসে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ও জনপ্রিয় ইসলামী ব্যক্তিত্ব শায়খ আহমাদুল্লাহ। বক্তব্যের শুরুতে ঘোষণা দেয়া হয়, শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে শায়খের কাছে প্রায় নয় শত লিখিত প্রশ্ন জমা পড়েছে। বিপুল সংখ্যক প্রশ্ন থেকে বাছাই করে শিক্ষার্থীদের জীবনঘনিষ্ঠ, সমসাময়িক চ্যালেঞ্জ, ক্যারিয়ার ও ধর্ম পালন বিষয়ক গুরুত্বপূর্ণ কিছু প্রশ্নের উত্তর দেন তিনি।প্রশ্নোত্তর পর্বে এক শিক্ষার্থীর প্রশ্নের জবাবে কুরআনের গুরুত্ব তুলে ধরে শায়খ আহমাদুল্লাহ বলেন, ‘কুরআন কোনো সাধারণ গ্রন্থ নয়, এটি সমগ্র মানবজাতির জন্য একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনবিধান। আজকের তরুণরা যদি কুরআনের আলোয় নিজেদের আলোকিত করতে পারে, তবেই সমাজে শান্তি ও শৃঙ্খলা ফিরে আসবে। হতাশা আর অবক্ষয়ের এই সময়ে কুরআনই হতে পারে আমাদের শান্তির উৎস।’ তিনি আরো বলেন, ‘সুন্দর জীবন ও সমাজ গঠনে দুনিয়াবি শিক্ষার পাশাপাশি তরুণদের কুরআন পাঠে মনোযোগী হতে হবে।’আরেকটি প্রশ্নের উত্তরে সফলতার পরিচয় দিতে গিয়ে তিনি বলেন, সফলতা কেবল ক্যারিয়ার গড়াতে নয়, বরং একজন সৎ, নীতিবান ও মানবিক মানুষ হওয়ার মাঝেই প্রকৃত সফলতা নিহিত। আর এর জন্য রাসুল (সা.)-এর সীরাত চর্চার কোনো বিকল্প নেই।অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব মুফতি মুহাম্মাদ আব্দুল মালেক, জনপ্রিয় আলোচক ড. মিজানুর রহমান আজহারী এবং ড্যাফোডিল ইসলামিক সেন্টারের ডিরেক্টর প্রফেসর মুখতার আহমাদ।
২০ মার্চ, ২০২৩
আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রাম এর উদ্যোগে WAMY' র (A member of UN NGO) সহযোগিতায় ১৪-১৬ মার্চ, তিনদিন ব্যাপী অনুষ্ঠিত হয়েছে ট্যালেন্ট ডেভেল...
আরও পড়ুন
২০ মার্চ, ২০২৩
আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রাম এর উদ্যোগে WAMY' র (A member of UN NGO) সহযোগিতায় ১৪-১৬ মার্চ, তিনদিন ব্যাপী অনুষ্ঠিত হয়েছে ট্যালেন্ট ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম। প্রধান অতিথি হিসেবে অনু্ষ্ঠানটি উদ্বোধন করেন আইআইইউসি'র বোর্ড অব ট্রাস্টিজের মাননীয় চেয়ারম্যান চট্টগ্রামের ১৫ আসনের মাননীয় সাংসদ প্রফেসর ড. আবু রেজা মুহাম্মদ নেজামুদ্দিন নদভী এমপি। বিশেষ অতিথি উপাচার্য প্রফেসর আনোয়ারুল আজিম আরিফ, কী নোট স্পীকার মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সাবেক মূখ্য সচিব ভ. আবদুল করিম, উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ভাইস চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. কাজী দ্বীন মোহাম্মদ।কর্তৃপক্ষের আমন্ত্রণে উক্ত অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় দিন ১৫ মার্চ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শায়খ আহমাদুল্লাহ। বিওটি সদস্য ও ফাইনান্স কমিটি চেয়ারম্যান ড. ইঞ্জিনিয়ার রশীদ আহমদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উক্ত সেশনে কী নোট স্পীকার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তিনি। অনুষ্ঠানে শ্রোতা হিসেবে অংশ নিয়েছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৭ হাজার শিক্ষার্থী থেকে নির্বাচিত ১০০ মেধাবী শিক্ষার্থী।একটি প্রজন্মের চিন্তা ও মেধার প্রতিনিধিত্ব করে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীরা। এমন মেধাবী ও সচেতন শ্রোতাদের সামনে চিন্তার আদান-প্রদান করতে পারাটা যে কোনো স্পিকারের জন্যই আনন্দের। নির্বাচিত তরুণ প্রজন্মের সামনে চিন্তা বিনিময় এবং ঘণ্টাব্যাপী বক্তব্য রাখার মুহূর্তটি দারুণ উপভোগ করেছেন শায়খ আহমাদুল্লাহ।সেমিনারের প্রশংসা করে তিনি নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে লিখেছেন : যুবশক্তিকে সঠিক ও ইতিবাচক পথে পরিচালিত করতে কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে নিয়মিত বিরতিতে এই ধরনের সেমিনারের আয়োজন খুব জরুরি। আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের এমন উদ্যোগ প্রশংসনীয়।বক্তব্য শেষে দিনব্যাপী ওয়ার্কসপ, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক ইভেন্টও অনুষ্ঠিত হয়।