শুধু কোনো কোম্পানিকে সেবা দিয়ে যাওয়া জীবনের চূড়ান্ত লক্ষ্য নয় : যবিপ্রবিতে শায়খ আহমাদুল্লাহ
১১ ডিসেম্বর, ২০২৫, বিকাল ০৫:৫৮
নুরুল ইসলাম তানঈম
পৃথিবীর বেশিরভাগ মানুষ জানে না সে কেন বেঁচে আছে। আমরা স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় পার করে চাকরিতে প্রবেশ করি। সেখানে একটি হ্যান্ডসাম স্যালারি পাই, যা দিয়ে আমরা ও আমাদের পরিবার খেয়ে-পরে বেঁচে থাকি। কিন্তু দিনশেষে দেখা যায়, আমরা কেবল কোনো এক কোম্পানিকে সার্ভ করার জন্য বেঁচে আছি। আমি খাচ্ছি, ঘুমাচ্ছি এবং নিজেকে ফিট রাখছি শুধুই কোম্পানির জন্য। এটি কোনো মানুষের জীবনের চূড়ান্ত লক্ষ্য হতে পারে না।
গতকাল (১০ ডিসেম্বর, বুধবার) যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত ‘দ্য ইলুমিনেশন সামিট : ইসলামিক সেমিনার ও বুক ফেয়ার’-এ প্রধান আলোচকের বক্তব্যে শায়খ আহমাদুল্লাহ এসব কথা বলেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সংগঠন ‘জাস্ট ইসলামিক নলেজ সিকারস সোসাইটি’র উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয় এ অনুষ্ঠান।
শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে শায়খ আহমাদুল্লাহ আরো বলেন, ‘তোমরা যারা আজ বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ছো, তোমরাই আগামীর বাংলাদেশ। তোমাদের মেধার সাথে যদি নৈতিকতা ও আল্লাহর ভয়ের সংমিশ্রণ ঘটে, তবেই এই দেশ দুর্নীতিমুক্ত ও ইনসাফভিত্তিক সমাজ পাবে। মনে রাখবে, একজন সৎ ও চরিত্রবান ব্যক্তি হাজারো অসৎ মেধাবীর চেয়ে উত্তম।’
এছাড়া শিক্ষার্থীদের আত্মপরিচয় সংকটের বিষয়টি উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমাদের সবচেয়ে বড় পরিচয় আমরা আল্লাহর গোলাম বা দাস। দুনিয়ার কোনো নেতার পিএস হওয়া যদি গৌরবের হয়, তবে যিনি মহাবিশ্বের মালিক, তার দাস হওয়া কত বড় গৌরবের বিষয়! সুতরাং আমাদের একমাত্র পরিচয় আমরা আল্লাহর গোলাম।
অনুষ্ঠানে বিশেষ আলোচক হিসেবে আরও বক্তব্য রাখেন যশোর জেলা ফতোয়া বোর্ডের সভাপতি মুফতি মজিবুর রহমান, আদ-দাওয়াহ ইলাল্লাহর পরিচালক আব্দুল্লাহ বিন আব্দুর রাযযাক, নাবিল একাডেমির প্রতিষ্ঠাতা ড. নাবিল এবং সহ-প্রতিষ্ঠাতা ড. নোবেল।