২৪ আগস্ট, ২০২৬
মাদরাসা শিক্ষার প্রশাসনিক কাঠামো শক্তিশালী করা এবং বর্তমান সময়ের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় মাদরাসা পরিচালকদের আধুনিক ও যুগোপযোগী প্রশিক্ষণ দিয়েছে আস-সুন্নাহ...
আরও পড়ুন
২৪ আগস্ট, ২০২৬
মাদরাসা শিক্ষার প্রশাসনিক কাঠামো শক্তিশালী করা এবং বর্তমান সময়ের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় মাদরাসা পরিচালকদের আধুনিক ও যুগোপযোগী প্রশিক্ষণ দিয়েছে আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন। প্রশিক্ষণে ‘মাদরাসা শিক্ষার ভাবমূর্তি রক্ষা, সুশাসন ও সংকট উত্তরণের পথ’ বিষয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ সেশন পরিচালনা করেন শায়খ আহমাদুল্লাহ।এ ছাড়া তিন দিনব্যাপী এই প্রশিক্ষণ কর্মশালায় সংশ্লিষ্ট বিষয়ের বিশেষজ্ঞরা দশটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান করেন। প্রশিক্ষণের উল্লেখযোগ্য বিষয়গুলোর মধ্যে ছিল—এডুকেশনাল লিডারশিপ, ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্স, কনফ্লিক্ট ম্যানেজমেন্ট, আধুনিক আর্থিক ব্যবস্থাপনা, ডিজিটালাইজেশন ও আধুনিক টুলসের ব্যবহার, স্টুডেন্ট সাইকোলজি ও পার্সোনালিটি টাইপ (MBTI), আধুনিক পাঠদান পদ্ধতিসহ আরও বিভিন্ন বিষয়।গত ২২ থেকে ২৪ আগস্ট রাজধানীর আফতাবনগরে অবস্থিত আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয় এই প্রশিক্ষণ কর্মশালা। সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রশিক্ষণের ঘোষণা প্রকাশের পরপরই কর্মশালাটি ব্যাপক সাড়া ফেলে। প্রশিক্ষণে অংশ নিতে দেশের ৪৯টি জেলার ৩ হাজার ৬৭৩ জন মাদরাসা পরিচালক, শিক্ষাসচিব ও আবাসিক ইনচার্জ আবেদন করেন। আসনসংখ্যা সীমিত থাকায় তাদের মধ্য থেকে বাছাই করা মাত্র ২১০ জন প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণের সুযোগ পান।অংশগ্রহণকারী ওলামায়ে কেরাম এই উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তারা জানান, প্রথাগত মাদরাসা পরিচালনার বাইরে গিয়ে কর্পোরেট ও আধুনিক ব্যবস্থাপনার কৌশলগুলো শিখতে পেরে তারা অনেক উপকৃত হয়েছেন, যা তাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মানোন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা রাখবে।উল্লেখ্য, প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারীদের আবাসন, খাবার ও প্রশিক্ষণসামগ্রী আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনায় সম্পূর্ণ বিনামূল্যে সরবরাহ করা হয়। কোর্স শেষে অংশগ্রহণকারীদের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে সনদপত্রও তুলে দেওয়া হয়।মাদরাসা শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং দক্ষ ও যুগোপযোগী প্রশাসনিক নেতৃত্ব গড়ে তুলতে আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের এ ধরনের সৃজনশীল উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে ইনশাআল্লাহ।
১০ ডিসেম্বর, ২০২৫
রাজধানীর নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি (এনএসইউ) ক্যাম্পাসে বিপুল উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘কুরআন কনফারেন্স ও সীরাত এক্সিবিশন-২০২৫’। আধুনিক...
আরও পড়ুন
১০ ডিসেম্বর, ২০২৫
রাজধানীর নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি (এনএসইউ) ক্যাম্পাসে বিপুল উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘কুরআন কনফারেন্স ও সীরাত এক্সিবিশন-২০২৫’। আধুনিক শিক্ষার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের মাঝে নৈতিকতা ও ধর্মীয় মূল্যবোধ ছড়িয়ে দেয়ার লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এই সম্মেলনের আয়োজন করেন। এতে দেশের প্রখ্যাত ইসলামী চিন্তাবিদ ও স্কলারগণ বক্তব্য রাখেন।গতকাল (৯ ডিসেম্বর, মঙ্গলবার) বিশ্ববিদ্যালয়ের বসুন্ধরা ক্যাম্পাসে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ও জনপ্রিয় ইসলামী ব্যক্তিত্ব শায়খ আহমাদুল্লাহ। বক্তব্যের শুরুতে ঘোষণা দেয়া হয়, শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে শায়খের কাছে প্রায় নয় শত লিখিত প্রশ্ন জমা পড়েছে। বিপুল সংখ্যক প্রশ্ন থেকে বাছাই করে শিক্ষার্থীদের জীবনঘনিষ্ঠ, সমসাময়িক চ্যালেঞ্জ, ক্যারিয়ার ও ধর্ম পালন বিষয়ক গুরুত্বপূর্ণ কিছু প্রশ্নের উত্তর দেন তিনি।প্রশ্নোত্তর পর্বে এক শিক্ষার্থীর প্রশ্নের জবাবে কুরআনের গুরুত্ব তুলে ধরে শায়খ আহমাদুল্লাহ বলেন, ‘কুরআন কোনো সাধারণ গ্রন্থ নয়, এটি সমগ্র মানবজাতির জন্য একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনবিধান। আজকের তরুণরা যদি কুরআনের আলোয় নিজেদের আলোকিত করতে পারে, তবেই সমাজে শান্তি ও শৃঙ্খলা ফিরে আসবে। হতাশা আর অবক্ষয়ের এই সময়ে কুরআনই হতে পারে আমাদের শান্তির উৎস।’ তিনি আরো বলেন, ‘সুন্দর জীবন ও সমাজ গঠনে দুনিয়াবি শিক্ষার পাশাপাশি তরুণদের কুরআন পাঠে মনোযোগী হতে হবে।’আরেকটি প্রশ্নের উত্তরে সফলতার পরিচয় দিতে গিয়ে তিনি বলেন, সফলতা কেবল ক্যারিয়ার গড়াতে নয়, বরং একজন সৎ, নীতিবান ও মানবিক মানুষ হওয়ার মাঝেই প্রকৃত সফলতা নিহিত। আর এর জন্য রাসুল (সা.)-এর সীরাত চর্চার কোনো বিকল্প নেই।অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব মুফতি মুহাম্মাদ আব্দুল মালেক, জনপ্রিয় আলোচক ড. মিজানুর রহমান আজহারী এবং ড্যাফোডিল ইসলামিক সেন্টারের ডিরেক্টর প্রফেসর মুখতার আহমাদ।
৫ জুন, ২০২৪
আলহামদুলিল্লাহ, শিক্ষার্থীদের আনন্দঘন উপস্থিতিতে সম্পন্ন হলো এসএসসি ও দাখিল উত্তীর্ণদের নাসীহা প্রোগ্রাম।কলেজের নতুন পরিবেশে গিয়ে শিক্ষার্থীরা যেন শেক...
আরও পড়ুন
৫ জুন, ২০২৪
আলহামদুলিল্লাহ, শিক্ষার্থীদের আনন্দঘন উপস্থিতিতে সম্পন্ন হলো এসএসসি ও দাখিল উত্তীর্ণদের নাসীহা প্রোগ্রাম।কলেজের নতুন পরিবেশে গিয়ে শিক্ষার্থীরা যেন শেকড়চ্যুত না হয়, সে জন্যই আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন এই নাসীহা প্রোগ্রামের আয়োজন করে।ডা. নাবিলআস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন পরিচালিত মাদরাসাতুস সুন্নাহর মাঠে অনুষ্ঠিত নাসীহা প্রোগ্রামে ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শায়খ আহমাদুল্লাহ মুখ্য আলোচক হিসেবে আলোচনা করেন। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে আলোচনা করেন সফল উদ্যোক্তা ও মোটিভেশনাল স্পিকার মাহমুদুল হাসান সোহাগ; বিশিষ্ট চিকিৎসক ও পড়াশোনা বিষয়ক পরামর্শক ডা. নাবিল; শিশু-কিশোর মনোরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. মাসুদ রানা; মনোরোগ বিশেষজ্ঞ তানভীর রহমান শাহ; বিশিষ্ট আলেম শায়খ আব্দুল হাই মুহাম্মদ সাইফুল্লাহ; বিশিষ্ট উপস্থাপক মুফতী সাইফুল ইসলাম; প্রকৌশলী নাহিদ হাসান এবং আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক সাব্বির আহমদ। অনুষ্ঠানে ক্বিরাত পরিবেশন করেন আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন ক্বারী সাইদুল ইসলাম আসাদ। নাশীদ পরিবেশন করেন শিল্পী বদরুজ্জামান।মাহমুদুল হাসান সোহাগনাসীহা প্রোগ্রামে বিশেষজ্ঞগণ যে সকল বিষয়ের ওপর আলোচনা করেছেন, তারমধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি হলো: মস্তিষ্কের ক্ষমতা বৃদ্ধি : ইসলাম ও চিকিৎসাবিজ্ঞানের আলোকে নির্দেশনা, ইন্টারনেট আসক্তি ও অবৈধ সম্পর্ক থেকে আত্মরক্ষার উপায়, হতাশা ও আত্মহত্যা থেকে সুরক্ষার উপায়, তারুণ্য বিধ্বংসী মাদকের ভয়াবহতা, উদ্যোক্তা হিসেবে বেড়ে উঠতে করণীয় ইত্যাদি।শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অতিথিরাঅনুষ্ঠানে শায়খ আহমাদুল্লাহ শিক্ষার্থীদের নীতিবান মানুষ হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলতে উৎসাহিত করেন। প্রাতিষ্ঠানিক পড়াশোনার পাশাপাশি ধর্মীয় জ্ঞানার্জন ও তদনুযায়ী জীবন পরিচালনা করার উপদেশ দেন।শায়খ আব্দুল হাই মুহাম্মাদ সাইফুল্লাহস্কুল জীবনে শিক্ষার্থীরা বাবা-মার চেনা গণ্ডির মধ্যে থাকে। কিন্তু কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার পর তারা ধীরে ধীরে বাবা-মার বৃত্ত থেকে বের হতে থাকে। এ সময় তাদের জীবনে আসতে শুরু করে তীব্র উত্তেজক, নিষিদ্ধ বিষয়সমূহ। এ সময় তাদেরকে যদি সঠিক পথে পরিচালিত করা না যায়, যদি তারা একবার পথহারা হয়ে যায়, তবে সেই নষ্ট গলি থেকে ফিরে আসা তাদের জন্য অত্যন্ত কঠিন হয়ে যায়। তাই এই সময়টাতে সন্তানের যত্ন নেওয়া, তাকে সময় দেওয়া, তার গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করা সমাজের সবার গুরুদায়িত্ব। এ বিষয়টি বিবেচনা করে আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন নাসীহা প্রেগ্রামের উদ্যোগ গ্রহণ করে।কুরআন তিলাওয়াত করছেন ক্বারী সাইদুল ইসলাম আসাদ